ঢাকা মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ২৪ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

তেলের সংকটে ইলিশ আহরণে ভাটা, ক্ষতির মুখে জেলেরা

তেলের সংকটে ইলিশ আহরণে ভাটা, ক্ষতির মুখে জেলেরা

দীর্ঘদিন ইলিশের সংকটের পর অবশেষে সাগর ও উপকূলীয় নদ-নদীতে কিছুটা ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। এতে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছেন জেলেরা। তবে ইলিশ আহরণে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জ্বালানি তেলের সংকট। ফলে কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় মাছ ধরতে না পেরে হতাশ অনেক জেলে ও ব্যবসায়ী।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত তিন দিন ধরে পটুয়াখালী কলাপাড়া উপজেলার আলীপুর-মহিপুর উপকূলে জেলেদের জালে ভালো পরিমাণ ইলিশ ধরা পড়ছে। কিন্তু তেলের অভাবে অনেক ট্রলার সাগরে যেতে পারছে না। এতে ইলিশের এই মৌসুমে সম্ভাব্য বড় আয়ের সুযোগ হাতছাড়া হওয়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এদিকে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে গত দুই দিনে প্রায় ৬০ হাজার লিটার জ্বালানি তেল সরবরাহ করা হয়েছে। এতে সাময়িকভাবে কিছুটা সংকট কাটলেও চাহিদার তুলনায় তা এখনও অপ্রতুল বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। পটুয়াখালীর সবচেয়ে বড় মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র মহিপুর আড়ত মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুমন দাস বলেন, অনেক দিন পর জেলেরা ইলিশের সংখ্যা বেশি পাচ্ছেন। কিন্তু তেলের অভাবে সব ট্রলার সাগরে যেতে পারছে না। প্রশাসনের দেওয়া তেলে কিছুটা স্বস্তি মিলেছে, তবে পুরো সংকট কাটেনি। আলীপুর-মহিপুর এলাকার একাধিক মৎস্য ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে ইলিশ আহরণের এই ধারা বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়বে। মহিপুরের মৎস্য ব্যবসায়ী ইব্রাহিম কোম্পানি বলেন, জালে মাছ আছে, কিন্তু তেল না থাকলে সাগরে যাওয়া সম্ভব নয়। এতে ব্যবসায় বড় ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। বর্তমানে ৫ লাখ টাকার বাজার নিয়ে সমুদ্রে গেলে ১০ লাখ টাকার মাছ নিয়ে আসা সম্ভব কিন্তু তেলের কারনে আমরা আটকে আছি। আলীপুর মৎস্য আড়ত মালিক মো. কামাল ব্যাপারী বলেন, এই সময়ে ইলিশ পাওয়া মানে সারা বছরের লোকসান পুষিয়ে নেওয়ার সুযোগ।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত