ঢাকা মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

কোরবানির ঈদ ঘিরে জমে উঠেছে খাইট্টার বাজার

কোরবানির ঈদ ঘিরে জমে উঠেছে খাইট্টার বাজার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে পশুর মাংস কাটার জন্য বেচা-কেনা বেড়েছে খাইট্টা। কোরবানির পশুর মাংস ও হাঁড় কাটার জন্য প্রয়োজন হয় এই খাইট্টা (ছোট কাঠের টুকরো)। সাধারণত গাছের গোড়ার দিকের গোলাকার কাঠ দিয়ে খাইট্টা তৈরি করা হয়। এই খাইট্টা সারা বছর ব্যবহার করে কসাইরা।

খাইট্টাকে স্থানীয় ভাষায় অনেকে আবার গাছের গুঁড়িও বলে থাকেন।

এরই মধ্যে ঈদকে সামনে রেখে অনেকেই কিনে ফেলেছেন কোরবানির পশু, এখন শেষ মুহূর্তে পশু কাটার সরঞ্জামগুলো যেমন- ছুড়ি, দা, টাশকাল, বাঁশ/হুগলার পাটি কিংবা খাইট্টা কিনতে ভিড় করছেন অনেকে।

গতকাল সোমবার দুপুরে নবীনগর উপজেলার সদর বাজার এবং বাঙ্গরা বাজারের কাঠপট্টি ঘুরে দেখা যায়, খাইট্টা ব্যবসায়ীরা কাঠের তৈরি খাইট্টাগুলো থরে থরে একটির ওপর আরেকটি সাজিয়ে রেখেছেন।

জানা যায়, খাইট্টা তৈরিতে তেঁতুল গাছের কাঠকে প্রাধান্য দেওয়া হয়। কারণ অন্য কাঠের তুলনায় এ কাঠ দা-ছুরির আঘাত সহ্য করার ক্ষমতা অনেক বেশি। আগে সারা বছরই কমবেশি এ সব খাইট্টা বিক্রি হত। এখন শুধু কোরবানির ঈদ এলেই বিক্রি বেড়ে যায়। আমিনুল ইসলাম নামে এক কাঠ ব্যবসায়ী ঈদ উপলক্ষে তার দোকানের সামনে থরে থরে সাজিয়ে রেখেছেন এ সব কাঠের গুড়ি বা খাইট্টা। তিনি জানান- ‘প্রতিটি সাধারণ মানের খাইট্টা বিক্রি হচ্ছে ৩০০-৫০০ টাকায়। বড়গুলোর দাম ১২০০-১৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।’

তিনি আরও বলেন, ‘পশুর মাংস কাটার কাজে এই কাঠের গুঁড়ি বা খাইট্টার চাহিদা অনেক। কোরবানির দিনে পশুর মাংস কাটতে এটি খুবই প্রয়োজনীয় বস্তু। এ সব গুঁড়ি বা খাইট্টাগুলো মূলত ঈদের আগ মুহূর্তে বেশি বিক্রি হয়। এবারও শেষ মুহূর্তে বেশ ভাল বিক্রি হচ্ছে’ বলে জানান তিনি। উল্লেখ্য, কোরবানির ঈদের সময় এ সব খাইট্টা বিক্রি করে ভাল উপার্জন করছেন অনেক ব্যবসায়ী। তবে ঈদুল আযহায় বিক্রি হওয়া খাইট্টা থেকে পেশাদার কসাইদের কাজে ব্যবহৃত খাইট্টাগুলোর মান ভাল এবং দাম অনেক বেশি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত