
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি ভালোবাসার প্রতিফলন হিসেবেই কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু এমপি। গতকাল শুক্রবার দুপুরে শরীয়তপুরের ডামুড্যা উপজেলার পূর্ব ডামুড্যায় জয়ন্তী নদীসংলগ্ন প্রস্তাবিত শরীয়তপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু বলেন, প্রধানমন্ত্রী কথায় নয়, কাজের মাধ্যমে শরীয়তপুরের মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসার প্রমাণ দিচ্ছেন। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ তারই প্রতিফলন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অনেক পরিমাণ ভূমির প্রয়োজন হয়। তাই জমির প্রাপ্যতা, পরিবেশ ও অর্থনৈতিক বিষয় বিবেচনা করেই বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান ডামুড্যার জয়ন্তী নদীসংলগ্ন এলাকায় নির্বাচন করা হয়েছে। ভৌগোলিক দিক থেকেও স্থানটি অত্যন্ত গুরুত্বগূর্ণ। ভবিষ্যতে রেললাইন চালু হলে এই অঞ্চলের সার্বিক যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। এছাড়া পাশে নদী থাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য নৌপথের সুবিধাও থাকবে। কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান পরিদর্শনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হোসেন উদ্দিন শেখর, শরীয়তপুরের জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা এবং বিভিন্ন মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।