ঢাকা রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ফুলজোড় নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন থামছে না

ফুলজোড় নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন থামছে না

সিরাজগঞ্জে প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় ফুলজোড় নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন থামছেই না। দিনে ও রাতে অবৈধভাবে এ বালু উত্তোলন করছে তারা। এতে উল্লাপাড়া ও রায়গঞ্জ উপজেলার ওই নদী তীরবর্তী ফসলি জমি ভাঙ্গনের আশংকা রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, উক্ত দুই উপজেলার পূর্বপাশ দিয়ে বয়ে গেছে ফুলজোড় নদী। দীর্ঘদিন ধরে ওই নদী এলাকার ধানগড়া, শিমলা, সাহেবগঞ্জ, আলোকদিয়া, ব্রষ্মগাছা, নলকার মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে ওই প্রভাবশালীর ছত্রছায়ায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় লোকজন। স্থানীয়রা বলছেন, এ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে একাধিকবার অবহিত করে, তেমন কোন কাজে আসেনি। এ কারণে ওই মহলের ছত্রছায়ায় স্থানীয় কিছু সংখ্যক চিহিৃত ব্যক্তির ওই নদীর বিভিন্ন স্থানে এ বালু উত্তোলন থামছেই না। তারা শুধু বালু উত্তোলনই নয় মাটি কেটেও উত্তোলন করছে এবং নদীর তীরবর্তী থেকে বালু ও মাটি উত্তোলন করলেও কেউ বাঁধা দিতেও সাহস পাচ্ছে না। তারা এ বালু ও মাটি উত্তোলন করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করছে। অনেক অবৈধ বালু ব্যবসায়ী ইতোমধ্যেই লাখপতি হয়েছে। অথচ এ অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণেই অনেক কৃষকের ফসলি জমি ভাঙ্গনেরও আশংকা রয়েছে। বর্ষাকালে নদীর উভয়পাড়ের বিভিন্ন স্থানে ভাঙনের সৃষ্টি হয় এবং অবৈধভাবে বালু উত্তোলনে এ ভাঙন দেখা দেয়। এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ফুলজোড় নদী থেকে বালু উত্তোলনের অনুমতি দেয়া হয়নি। যদিও আমি এ জেলায় অল্পদিন ধরে এসেছি।

তবে কেউ যদি অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে সে বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে। রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুল খালেক পাটোয়ারী এ বিষয়ে আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, ফুলজোড় নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন প্রতিরোধে ইতিমধ্যেই সব ধরণের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। গতকালও এ অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে এক ব্যবসায়ীকে ৭ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এরআগেও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের দায়ে অনেক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। এ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত