ঢাকা বুধবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

নবগঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নতুন দিগন্তের পথে উচ্চশিক্ষা

ড. মো. আনোয়ার হোসেন
নবগঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নতুন দিগন্তের পথে উচ্চশিক্ষা

নবগঠিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কি তার কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে- এই প্রশ্নটি এখন বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষা অঙ্গনে সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে। দীর্ঘদিনের আন্দোলন, সেশনজট এবং প্রশাসনিক জটিলতার অবসান ঘটিয়ে ঢাকার সাতটি সরকারি কলেজকে নিয়ে একটি স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের যে সিদ্ধান্ত অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ নিয়েছে, তা নিঃসন্দেহে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা যেমন বিপুল সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করে, তেমনি এর সামনে থাকে পাহাড়সম চ্যালেঞ্জ। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু একটি প্রশাসনিক কাঠামো পরিবর্তন নয়, বরং হাজার হাজার শিক্ষার্থীর স্বপ্ন পূরণের একটি নতুন প্ল্যাটফর্ম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। ২০১৭ সাল থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অধীনে থাকা ঢাকার শীর্ষ ৭টি সরকারি কলেজকে (ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, সরকারি বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ) একটি স্বতন্ত্র কাঠামোর অধীনে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে সরকার মূলত সেশনজট নিরসনকল্পে এই সাত কলেজ কে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি নামের আরেকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ করার জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করে। সকল জল্পনা কল্পনার অবসান ঘটিয়ে, ২২ জানুয়ারিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬’ অনুমোদন করে। এটি সরাসরি কোনো ক্যাম্পাসভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় না হয়ে একটি অধিভুক্ত ও নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করবে।

অতীতে দেখা গেছে, বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রায়ই আমলাতান্ত্রিক জটিলতা এবং রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে তাদের প্রকৃত গতিপথ হারিয়ে ফেলে। নবগঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে যদি শুরু থেকেই একটি শক্তিশালী এবং নিরপেক্ষ প্রশাসনিক কাঠামো গড়ে তোলা যায়, তবে এটি দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠে পরিণত হতে পারবে। সাতটি ঐতিহ্যবাহী কলেজকে একীভূত করে একটি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে আনা একটি বিশাল কর্মযজ্ঞ। এই সমন্বয় প্রক্রিয়ায় যদি প্রতিটি কলেজের নিজস্ব ঐতিহ্য বজায় রেখে একটি অভিন্ন মানদ- স্থাপন করা সম্ভব হয়, তবেই উচ্চশিক্ষার বিকেন্দ্রীকরণ ও মানোন্নয়নের লক্ষ্য সফল হবে।

সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের একটি প্রধান সমস্যা ছিল সেশনজট। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি যদি শুরু থেকেই একটি সুনির্দিষ্ট এবং ডিজিটাল একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করতে পারে, তবে শিক্ষার্থীদের জীবনের মূল্যবান সময় রক্ষা পাবে। সেশনজটমুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য প্রথম বড় পরীক্ষা। পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত প্রকাশ এবং প্রশাসনিক কার্যক্রমের ডিজিটালাইজেশন শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি কমিয়ে আনবে। যখন একজন শিক্ষার্থী সময়মতো তার ডিগ্রি সম্পন্ন করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারবে, তখনই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি জনমানুষের আস্থা বৃদ্ধি পাবে। একটি কার্যকর পরীক্ষা নিয়ন্ত্রণ বিভাগ এবং আধুনিক ডাটাবেস সিস্টেম এখানে মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করবে।

ভৌত অবকাঠামো এবং আধুনিক সুযোগ-সুবিধার অভাব যেকোনো নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ক্ষেত্রে সুবিধা হলো, এর অন্তর্ভুক্ত কলেজগুলোর নিজস্ব ক্যাম্পাস ও স্থাপনা আগে থেকেই বিদ্যমান। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি অত্যাধুনিক প্রশাসনিক ভবন, সমৃদ্ধ কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি এবং উচ্চমানের ল্যাবরেটরি স্থাপন করা অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসন সংকট নিরসন এবং যাতায়াত ব্যবস্থার উন্নয়নও লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে বিবেচিত হতে হবে। একটি বিশ্ববিদ্যালয় শুধু শ্রেণিকক্ষ নয়, বরং একটি সমৃদ্ধ লাইব্রেরি এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার পরিবেশের মাধ্যমে পূর্ণতা পায়। এই পরিবেশ নিশ্চিত করা কর্তৃপক্ষের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য অর্জনে ইন্ডাস্ট্রি-একাডেমিয়া লিংকেজ বা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সমন্বয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান যুগে শুধু ডিগ্রি অর্জনই যথেষ্ট নয়, বরং শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান উপযোগী করে গড়ে তোলা বড় চ্যালেঞ্জ। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি যদি দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে ইন্টার্নশিপ এবং হাতে-কলমে শিক্ষার ব্যবস্থা করতে পারে, তবে এর গ্র?্যাজুয়েটরা বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্তি পাবে। আধুনিক বাজার চাহিদার সঙ্গে সংগতি রেখে সিলেবাসের আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। যখন নিয়োগকর্তারা দেখবেন যে, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাস্তবিক দক্ষতাসম্পন্ন, তখনই প্রতিষ্ঠানের সুনাম চারদিকে ছড়িয়ে পড়বে।

ছাত্র-শিক্ষক রাজনীতি এবং ক্যাম্পাসের স্থিতিশীলতা বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে যদি সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চা এবং মুক্তচিন্তার পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়, তবে শিক্ষার্থীরা সুনাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। দলীয় লেজুড়বৃত্তিহীন ছাত্র সংসদ এবং সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রসার ঘটানো গেলে ক্যাম্পাসে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। সৃজনশীলতা এবং নেতৃত্বের গুণাবলি বিকাশের সুযোগ থাকলে শিক্ষার্থীরা শুধু চাকরিপ্রার্থী হবে না, বরং তারা নিজেরাই নতুন নতুন উদ্যোক্তা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারবে।

বিশ্বায়নের এই যুগে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলা যেকোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বাধ্যতামূলক। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি যদি বিদেশি নামী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে শিক্ষা বিনিময় কর্মসূচি বা ক্রেডিট ট্রান্সফার পদ্ধতি চালু করতে পারে, তবে এর গুরুত্ব বহুগুণ বেড়ে যাবে। আন্তর্জাতিক জার্নালে গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ এবং বিশ্বমানের সেমিনার-সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা হলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশ্ব র‍্যাঙ্কিংয়ে স্থান করে নেওয়ার পথ সুগম হবে। বৈশ্বিক জ্ঞানভাণ্ডারের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং তাদের মধ্যে আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি গড়ে তোলা হবে এই নতুন বিদ্যাপীঠের একটি বড় সাফল্য।

শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং কাউন্সিলিং সেবা প্রদানের বিষয়টিও লক্ষ্য অর্জনের তালিকায় থাকা উচিত। বর্তমানের প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে শিক্ষার্থীরা প্রায়ই মানসিক চাপে ভোগে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটিতে যদি পর্যাপ্ত মেন্টরিং এবং কাউন্সেলিং ব্যবস্থা থাকে, তবে শিক্ষার্থীরা হতাশামুক্ত থেকে তাদের পড়ালেখায় মনোযোগ দিতে পারবে। এছাড়া খেলাধুলা এবং শরীরচর্চার জন্য পর্যাপ্ত সুযোগ রাখা প্রয়োজন। একটি সুস্থ দেহ ও সুন্দর মনই পারে একজন শিক্ষার্থীকে তার সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছে দিতে। এই মানবিক দিকগুলো বিবেচনায় নিলে বিশ্ববিদ্যালয়টি একটি আদর্শ শিক্ষালয় হিসেবে গণ্য হবে।

আইটি অবকাঠামো এবং ডিজিটাল শিক্ষার প্রসার বর্তমান সময়ের দাবি। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির পুরো ক্যাম্পাস যদি উচ্চগতির ইন্টারনেট এবং স্মার্ট ক্লাসরুমের আওতায় আনা যায়, তবে পাঠদান পদ্ধতি আরও আকর্ষণীয় হবে। অনলাইন রিসোর্স শেয়ারিং এবং ই-লাইব্রেরির সুবিধা থাকলে শিক্ষার্থীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্তের তথ্য মুহূর্তেই হাতের নাগালে পাবে। চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের কোডিং, ডাটা সায়েন্স এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো বিষয়গুলোতে দক্ষ করে তোলা জরুরি। প্রযুক্তিবান্ধব শিক্ষা ব্যবস্থা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে একবিংশ শতাব্দীর যোগ্য করে তুলবে।

সাতটি কলেজের শিক্ষক ও কর্মচারীদের মধ্যে একটি সুসংগত সমন্বয় রক্ষা করা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। কিন্তু যদি একটি অভিন্ন জ্যেষ্ঠতা তালিকা এবং সুযোগ-সুবিধার সমতা বজায় রাখা যায়, তবে অভ্যন্তরীণ কোন্দল এড়ানো সম্ভব। প্রশাসনিকভাবে একটি শক্তিশালী মনিটরিং সেল থাকতে হবে, যারা প্রতিটি কলেজের মানোন্নয়ন তদারকি করবে। কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিক্রির মান এমন হতে হবে, যা দেশি ও বিদেশি উভয় ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্যতা পায়। সনদের গ্রহণযোগ্যতা এবং ব্যান্ডিংয়ের ওপরই প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে।

জনস্বার্থে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা হবে অনন্য। সাধারণ মানুষের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত এই প্রতিষ্ঠানটি যদি দক্ষ ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কৃষিবিদ এবং সমাজবিজ্ঞানী তৈরি করতে পারে, তবে দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি কেবল সার্টিফিকেট বিতরণের কারখানা হবে না, বরং এটি হবে মেধা বিকাশের একটি উর্বর ভূমি। জনস্বার্থ রক্ষায় এই প্রতিষ্ঠানটি যদি সামাজিক সমস্যা সমাধানে বিভিন্ন গবেষণা এবং সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে, তবে এটি সাধারণ মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেবে। জনগণের প্রত্যাশা মেটানোই হবে এর প্রকৃত সার্থকতা।

পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে শিক্ষা পদ্ধতিতে নমনীয়তা থাকা প্রয়োজন। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি যদি ব্লেন্ডেড লার্নিং বা মিশ্র শিক্ষা পদ্ধতি গ্রহণ করে, তবে তা বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত কার্যকর হবে। তাত্ত্বিক শিক্ষার পাশাপাশি ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হলে শিক্ষার্থীরা কর্মক্ষেত্রে দ্রুত খাপ খাইয়ে নিতে পারবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য অর্জনে প্রতিটি অনুষদকে স্বায়ত্তশাসন দেওয়া এবং তাদের সৃজনশীল কাজের সুযোগ করে দেওয়া উচিত। যখন প্রতিটি বিভাগ নিজের উৎকর্ষ সাধনে প্রতিযোগিতায় নামবে, তখন সামগ্রিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান বৃদ্ধি পাবে।

নতুন এই যাত্রায় প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের বা অ্যালামনাইদের ভূমিকাও অনস্বীকার্য। সাত কলেজের লাখ লাখ প্রাক্তন শিক্ষার্থী আজ দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত। ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি যদি এই বিশাল অ্যালামনাই নেটওয়ার্ককে কাজে লাগাতে পারে, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন এবং বর্তমান শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গাইডেন্সে তারা বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ফা- সংগ্রহ এবং ব্র?্যান্ডিংয়ে সহায়ক হয়। পূর্বসূরিদের অভিজ্ঞতা এবং উত্তরসূরিদের মেধার সমন্বয় একটি শক্তিশালী প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করবে।

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি স্থাপনের এই সিদ্ধান্ত একটি নতুন যুগের সূচনা করেছে। সঠিক নেতৃত্ব এবং সাধারণ শিক্ষার্থীদের অদম্য ইচ্ছা শক্তি সেই বাধাগুলো অতিক্রম করতে সাহায্য করবে। আমরা একটি সমৃদ্ধ, সেশনজটমুক্ত এবং মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার অপেক্ষায় আছি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি ইটের সঙ্গে জড়িয়ে আছে হাজারো মেধাবীর পরিশ্রমের গল্প। তাদের সেই পরিশ্রম যাতে সার্থক হয়, সেই পরিবেশ তৈরি করাই এখন সময়ের প্রধান দাবি। দেশের প্রয়োজনে এবং জনস্বার্থে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সফলতা আজ একান্ত কাম্য।

ড. মো. আনোয়ার হোসেন

প্রাবন্ধিক ও প্রেসিডেন্ট আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী সংগঠন ফ্রিডম ইন্টারন্যাশনাল এন্টি অ্যালকোহল

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত