ঢাকা শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১২ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বাজারে আগুন, জীবনে চাপ; সংকটের ভেতর সম্ভাবনা, স্বস্তি ফিরুক মানুষের জীবনে

জুবাইয়া বিন্তে কবির, অর্থনীতিবিদ, গবেষক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট
বাজারে আগুন, জীবনে চাপ; সংকটের ভেতর সম্ভাবনা, স্বস্তি ফিরুক মানুষের জীবনে

দেশ আজ যেন এক নীরব দীর্ঘশ্বাস বুকে নিয়ে এগিয়ে চলেছে। পরিসংখ্যানের সুশৃঙ্খল হিসাব বাস্তবতার কোলাহলে এসে ম্লান হয়ে যায়, যখন বাজারে দাঁড়িয়ে দেখা যায় এই সংকট সংখ্যার নয়, মানুষের প্রতিদিনের টিকে থাকার লড়াই। ভোরবেলার বাজারে ঝুড়ি হাতে মানুষের চোখে যে উৎকণ্ঠা, তা কোনো সূচক দিয়ে মাপা যায় না। জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সেই দুশ্চিন্তাকে আরও ঘনীভূত করেছে, অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে যেন ছড়িয়ে পড়েছে অদৃশ্য এক দহন, যার ভার সবচেয়ে বেশি বহন করছে সাধারণ মানুষ।

তবু এই অস্থিরতার ভেতরেও সম্ভাবনার আলো নিভে যায়নি। সংকট যত গভীর, উত্তরণের প্রয়োজন ততই অনিবার্য হয়ে ওঠে। বর্তমান সরকার, বিশেষ করে বিএনপির জনমুখী রাজনৈতিক দর্শন যেখানে মানুষের স্বস্তি, বাজারের শৃঙ্খলা ও ন্যায্যতা অগ্রাধিকার পায় এই কঠিন বাস্তবতা থেকে বেরিয়ে আসার একটি বাস্তবসম্মত পথরেখা ধারণ করে। জ্বালানি খাতের সংস্কার, বাজার তদারকি জোরদার এবং সামাজিক সুরক্ষা বিস্তারের উদ্যোগগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হলে এই অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

ইতিহাস বলছে, দায়বদ্ধ নেতৃত্ব ও সঠিক নীতির সমন্বয় সংকটকে পরিণত করতে পারে সম্ভাবনায়। আজকের এই সময়ও তেমন এক সন্ধিক্ষণ যেখানে দৃঢ় অঙ্গীকার ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে একটি স্থিতিশীল, মানবিক ও সহনশীল অর্থনৈতিক বাস্তবতায় ফিরে আসা সম্ভব।

বাংলাদেশের অর্থনীতি এই মুহূর্তে এক জটিল সন্ধিক্ষণে অবস্থান করছে। একদিকে বৈশ্বিক অস্থিরতা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, মধ্যপ্রাচ্যের টানাপোড়েন, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অনিশ্চয়তা অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ নীতিগত দুর্বলতা, বাজার ব্যবস্থাপনার ঘাটতি এবং দীর্ঘদিনের কাঠামোগত সমস্যা। এই দুইয়ের সম্মিলিত চাপে বাজারে সৃষ্টি হয়েছে এক অস্বাভাবিক অস্থিরতা, যার কেন্দ্রে রয়েছে জ্বালানি খাত। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যেন অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে ব্যয়ের নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে উৎপাদন, পরিবহন, সংরক্ষণ, বিতরণ সবখানেই ব্যয়ের চাপ বেড়েছে বহুগুণে।

এই বাস্তবতায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়েছে দেশের মধ্যবিত্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ। যাদের আয় স্থির, কিন্তু ব্যয় প্রতিনিয়ত ঊর্ধ্বমুখী। কয়েক মাস আগেও যে অর্থ দিয়ে একটি পরিবার স্বাচ্ছন্দ্যে চলতে পারত, আজ তা দিয়ে মৌলিক চাহিদা পূরণ করাই কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঘরভাড়া, সন্তানের শিক্ষা, চিকিৎসা, সামাজিক দায়বদ্ধতা এসব মেটানোর পর বাজার খরচের জন্য হাতে যে অর্থ থাকে, তা এখন একরকম অপ্রতুল।

এই সংকট শুধু অর্থের নয়, এটি জীবনযাত্রার মানেরও অবনমন। একসময় যে পরিবার সপ্তাহে অন্তত একদিন গরুর মাংস কিনত, এখন তারা সেটিকে মাসিক বিলাসিতায় পরিণত করেছে। ফল, দুধ, পুষ্টিকর খাবার এসব ধীরে ধীরে তালিকা থেকে বাদ পড়ছে। বিনোদন, সামাজিকতা এসব যেন এখন অতীতের স্মৃতি। জীবনযাত্রার এই বাধ্যতামূলক পতন শুধু ব্যক্তিগত নয়; এটি সামাজিক ভারসাম্যের ওপরও গভীর প্রভাব ফেলছে।

মূল্যস্ফীতি আজ আর সাময়িক কোনো ঢেউ নয়; এটি একটি দীর্ঘস্থায়ী ছায়া হয়ে অর্থনীতির ওপর ভর করেছে। গত কয়েক বছর ধরে ৮ থেকে ৯ শতাংশের মধ্যে ঘোরাফেরা করা মূল্যস্ফীতি এখন মানুষের জীবনে স্থায়ী চাপ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি অভিঘাত, যা ‘কস্ট-পুশ ইনফ্লেশন’-এর এক ক্লাসিক উদাহরণ। যখন উৎপাদন ও পরিবহন ব্যয় বাড়ে, তখন তার প্রভাব অনিবার্যভাবে পণ্যের দামে প্রতিফলিত হয়- এবং সেই বোঝা বহন করে ভোক্তা।

রান্নাঘরের সংকট আজ সবচেয়ে প্রকট হয়ে উঠেছে এলপিজির দামে। ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম প্রায় দুই হাজার টাকার কাছাকাছি পৌঁছানো মানে একটি নিম্ন বা মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য মাসিক বাজেটে নতুন এক চাপের সংযোজন। যাদের পাইপলাইনের গ্যাস নেই, তাদের জন্য এই খরচ এড়ানোর কোনো উপায়ও নেই। ফলে প্রতিদিনের রান্না, যা একসময় ছিল একটি স্বাভাবিক কাজ, তা এখন হয়ে উঠেছে ব্যয়ের হিসাবের অংশ।

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি শুধু একটি খাতকে নয়, পুরো অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে। ডিজেল ও পেট্রলের দাম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। সেই বাড়তি খরচ কৃষিপণ্য থেকে শুরু করে খুচরা বাজার পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে যোগ হয়। ফলে চাল, ডাল, তেল, ডিম, মুরগি সব পণ্যের দাম একযোগে বাড়তে থাকে। এটি একটি অস্বাভাবিক প্রবণতা, যা বাজারের স্বাভাবিক চাহিদা-যোগানের ভারসাম্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

খাদ্যপণ্যে এই চাপ সবচেয়ে ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। ডিমের দাম ডজনপ্রতি বৃদ্ধি, মুরগির দামে লাফিয়ে ওঠা এসব শুধু অর্থনৈতিক চাপ নয়; এটি মানুষের পুষ্টির ওপর সরাসরি আঘাত। একটি পরিবারের খাদ্য তালিকা যখন পুষ্টিহীন হয়ে পড়ে, তখন তার প্রভাব পড়ে পরবর্তী প্রজন্মের ওপর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে।

সবজির বাজারেও স্বস্তি নেই। মৌসুমি সরবরাহ বাড়লেও পরিবহন ব্যয়ের কারণে দাম কমছে না। অধিকাংশ সবজি এখন এমন দামে বিক্রি হচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। এতে বোঝা যায়, বাজারে শুধু সরবরাহ নয়, ব্যয়ের কাঠামোই পরিবর্তিত হয়েছে।

এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে সরবরাহ সংকট ও বাজারের অস্বচ্ছতা। সয়াবিন তেলের মতো পণ্যে দীর্ঘদিনের সংকট শুধু আন্তর্জাতিক বাজারের কারণে নয়; এর পেছনে রয়েছে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা। অনেক ক্ষেত্রে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে দাম বাড়ানোর অভিযোগও রয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে ‘সিন্ডিকেট’ শব্দটি আবারও আলোচনায় এসেছে অসাধু ব্যবসায়ীদের অদৃশ্য প্রভাব বাজারকে নিয়ন্ত্রণ করছে বলে যে ধারণা, তা অমূলক নয়।

এই সংকটের বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটও অস্বীকার করা যায় না। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি ও খাদ্যপণ্যের দাম বৃদ্ধি, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, যুদ্ধ পরিস্থিতি এসব বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশের জন্য অতিরিক্ত চাপ তৈরি করছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো- এই চাপ মোকাবিলায় আমাদের অভ্যন্তরীণ প্রস্তুতি কতটা কার্যকর?

খাদ্যনিরাপত্তা আজ একটি বড় উদ্বেগের বিষয় হয়ে উঠেছে। যখন মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে যায়, তখন খাদ্যের প্রাপ্যতা থাকলেও তা অর্জনের সক্ষমতা কমে যায়। ফলে পুষ্টিহীনতা, অপুষ্টি এবং সামাজিক বৈষম্য বাড়তে থাকে। অনেক মানুষ বাধ্য হয়ে শহর ছেড়ে গ্রামে ফিরে যাচ্ছে এটি শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়, এটি একটি সামাজিক প্রতিক্রিয়া।

ওএমএসের লাইনে ক্রমবর্ধমান ভিড় এই বাস্তবতার একটি নীরব কিন্তু শক্তিশালী প্রতীক। এটি প্রমাণ করে যে, মধ্যবিত্তও ধীরে ধীরে নিম্নআয়ের কাতারে নেমে আসছে। এই প্রবণতা যদি অব্যাহত থাকে, তবে তা সামাজিক কাঠামোর ওপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে।

এখানে নীতিনির্ধারণের প্রশ্নটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাজার তদারকি সংস্থাগুলোর কার্যক্রম অনেক ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান নয়। কোথাও কোথাও অসাধু ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগসাজশের অভিযোগও ওঠে। ফলে সরকারি উদ্যোগগুলোর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হয়। তবে এই চ্যালেঞ্জের মধ্যেই সম্ভাবনার আলোও রয়েছে।

বর্তমান সরকার, বিশেষ করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক ধারার যে প্রতিশ্রুতি একটি জনমুখী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক অর্থনৈতিক কাঠামো গড়ে তোলা তা যদি বাস্তবায়িত হয়, তবে এই সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। প্রয়োজন দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন এবং বাজার ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি।

সরকারের ঘোষিত বিভিন্ন উদ্যোগ টাস্কফোর্স গঠন, সরবরাহ চেইন সচল রাখা, ভর্তুকি বৃদ্ধি এসব যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়িত হয়, তবে তা বাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে ঘোষণার চেয়ে বাস্তবায়নই এখানে মূল চ্যালেঞ্জ।

দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের জন্য প্রয়োজন আমদানিনির্ভরতা কমানো, স্থানীয় উৎপাদন বৃদ্ধি এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। কৃষি, শিল্প ও জ্বালানি খাতে সমন্বিত পরিকল্পনা ছাড়া এই সংকটের স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়।

সবচেয়ে বড় কথা, এই সংকটকে শুধু অর্থনৈতিক হিসেবে দেখলে ভুল হবে। এটি একটি মানবিক সংকট। একজন মানুষ যখন তার সন্তানের জন্য পর্যাপ্ত খাবার জোগাড় করতে পারে না, তখন সেই ব্যর্থতা শুধু ব্যক্তিগত নয়; তা রাষ্ট্রেরও। অর্থনীতির প্রকৃত শক্তি লুকিয়ে থাকে মানুষের স্বস্তি ও সক্ষমতায়। সেই স্বস্তি যদি ক্রমাগত ক্ষয়ে যায়, তবে উন্নয়নের সব পরিসংখ্যানই অর্থহীন হয়ে পড়ে।

আজ প্রয়োজন একটি সাহসী ও জনমুখী অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি যেখানে বাজার মানুষের জন্য কাজ করবে, মানুষ বাজারের জন্য নয়। প্রয়োজন স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অসাধু সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কঠোর ব্যবস্থা। একইসঙ্গে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের জন্য সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বিস্তার ও কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

এই সংকট আমাদের সামনে একটি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে আমরা কি এমন একটি অর্থনীতি গড়তে পারব, যেখানে একজন মাহফুজুর রহমান সবুজ তার সীমিত আয়ে স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে পারবেন? যেখানে বাজারে গেলে মানুষ দুশ্চিন্তায় নয়, স্বস্তিতে থাকবে?

সময়ের দাবি আজ নিছক কোনো স্লোগান নয়, বরং এক অনিবার্য দায়িত্বের আহ্বান বাজারকে আবার মানুষের জন্য ফিরিয়ে আনা, অর্থনীতিকে মানুষের জীবনযাত্রার সহায়ক শক্তিতে পরিণত করা। একটি ন্যায্য, সহনশীল ও টেকসই অর্থনৈতিক বাস্তবতা গড়ে তোলা এখন শুধু নীতিনির্ধারণের বিষয় নয়; এটি রাষ্ট্রের নৈতিক অঙ্গীকার। কারণ অর্থনীতির চূড়ান্ত সত্য একটাই মানুষ। মানুষের স্বস্তি, নিরাপত্তা ও সক্ষমতাই একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত সাফল্যের পরিমাপক। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা হয়ে ওঠে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষ করে জনমুখী রাজনীতির ধারক শক্তি হিসেবে বিএনপির নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার যে প্রতিশ্রুতি সামনে এনেছে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং বাজার ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার তা যদি দৃঢ়তা ও আন্তরিকতার সঙ্গে বাস্তবায়িত হয়, তবে এই সংকট উত্তরণের পথ অনিবার্যভাবেই সুগম হবে। এরইমধ্যে নীতিগত সংস্কার, বাজার তদারকি জোরদার, সরবরাহ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি সম্প্রসারণের যে উদ্যোগগুলো দৃশ্যমান হয়েছে, তা আশার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। সংকট যত গভীরই হোক, একটি দায়িত্বশীল ও জনগণকেন্দ্রিক সরকারের জন্য তা অতিক্রম করা অসম্ভব নয়। বরং এই সময়ই নেতৃত্বের প্রকৃত সক্ষমতা প্রমাণের মুহূর্ত। সঠিক পরিকল্পনা, কার্যকর বাস্তবায়ন এবং জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে বর্তমান সরকার এই অস্থিরতাকে স্থিতিশীলতায় রূপ দিতে পারে এবং সেই পথচলায় ফিরে আসতে পারে মানুষের কাঙ্ক্ষিত স্বস্তি। অতএব, আজকের এই চ্যালেঞ্জই হতে পারে আগামীর সম্ভাবনার ভিত্তি। যদি বাজারে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠিত হয়, যদি মানুষের ক্রয়ক্ষমতা পুনরুদ্ধার পায়, তবে অর্থনীতি আবার প্রাণ ফিরে পাবে। আর তখনই প্রমাণিত হবে একটি জনমুখী, দায়িত্বশীল রাজনৈতিক নেতৃত্ব শুধু সংকট সামাল দেয় না, বরং সংকটকে জয় করে একটি উন্নত, মানবিক ও টেকসই রাষ্ট্র নির্মাণের পথ তৈরি করে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত