ঢাকা মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বিশ্ব লিম্ফোমা সচেতনতা দিবস : লক্ষণ চিনুন, ঝুঁকি জানুন, সময়মতো চিকিৎসা নিন

ডা. মুহাম্মাদ মাহতাব হোসাইন মাজেদ
বিশ্ব লিম্ফোমা সচেতনতা দিবস : লক্ষণ চিনুন, ঝুঁকি জানুন, সময়মতো চিকিৎসা নিন

প্রতি বছর ১৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ব লিম্ফোমা সচেতনতা দিবস পালিত হয়। লিম্ফোমা সম্পর্কে সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো, রোগটির প্রাথমিক লক্ষণ চেনানো এবং সময়মতো চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরাই এ দিবসের অন্যতম উদ্দেশ্য। লিম্ফোমা হলো- লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের এক ধরনের ক্যানসার, যা শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত। লিম্ফোমার কিছু লক্ষণ সাধারণ সংক্রমণ বা অন্যান্য রোগের মতো হওয়ায় অনেক সময় রোগটি শুরুতে সহজে শনাক্ত করা যায় না। তাই দীর্ঘদিনের অস্বাভাবিক উপসর্গকে অবহেলা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

লিম্ফোমা কী : লিম্ফোমা হলো- এমন একটি ক্যানসার, যা প্রধানত লিম্ফোসাইট নামের শ্বেত রক্তকণিকা থেকে শুরু হয়। লিম্ফোসাইট শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এগুলো লিম্ফ নোড, প্লিহা, অস্থিমজ্জা, থাইমাস ও লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমের বিভিন্ন অংশে থাকে। লিম্ফোসাইট অস্বাভাবিকভাবে পরিবর্তিত হয়ে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়তে থাকলে লিম্ফোমা সৃষ্টি হতে পারে। এটি লিম্ফ নোড ছাড়াও শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও ছড়িয়ে পড়তে পারে।

বিশ্বজুড়ে লিম্ফোমার চিত্রও গুরুত্বপূর্ণ। ২০২৬ সালে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থার সর্বশেষ বৈশ্বিক ক্যানসার পরিসংখ্যান প্রতিবেদনে বিশ্বের ১৮৬টি দেশের ক্যানসার পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়েছে। এতে দেখা যায়, ২০২৪ সালে বিশ্বে সব ধরনের ক্যানসার মিলিয়ে আনুমানিক ২ কোটি ৬ লাখ নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে এবং প্রায় ৯৮ লাখ মানুষ ক্যানসারে মারা গেছেন। লিম্ফোমার ক্ষেত্রে সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ বৈশ্বিক হিসাব ২০২২ সালের তথ্যভিত্তিক। ওই হিসাবে ২০২২ সালে বিশ্বে নন-হজকিন লিম্ফোমার ৫ লাখ ৫৩ হাজার ৩৮৯টি নতুন ঘটনা এবং ২ লাখ ৫০ হাজার ৬৭৯টি মৃত্যু অনুমান করা হয়। একই সময়ে হজকিন লিম্ফোমার নতুন রোগী ছিল ৮২ হাজার ৪৬৯ জন। অর্থাৎ এ দুই প্রধান ধরনের লিম্ফোমা মিলিয়ে এক বছরেই বিশ্বে ৬ লাখ ৩৫ হাজারের বেশি নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে। ভৌগোলিকভাবে এশিয়ায় নন-হজকিন লিম্ফোমার উল্লেখযোগ্য বোঝা রয়েছে। ২০২২ সালে এ অঞ্চলে এ রোগের আনুমানিক ২ লাখ ৩৫ হাজার ৪৪২টি নতুন ঘটনা এবং ১ লাখ ২১ হাজার ৫২৫টি মৃত্যু ছিল। ফলে লিম্ফোমা শুধু উন্নত দেশগুলোর সমস্যা নয়; এশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলের জন্যই এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য সমস্যা।

লিম্ফোমার প্রধান প্রকারভেদ দুইটি। প্রথমটি হজকিন লিম্ফোমা। এটি তুলনামূলকভাবে নির্দিষ্ট ধরনের লিম্ফোমা। এতে বিশেষ ধরনের অস্বাভাবিক কোষ দেখা যায়, যাকে রিড-স্টার্নবার্গ কোষ বলা হয়। আধুনিক চিকিৎসায় অনেক রোগীর ক্ষেত্রে এটি সফলভাবে নিয়ন্ত্রণ বা নিরাময় করা সম্ভব, বিশেষ করে রোগটি দ্রুত শনাক্ত হলে। দ্বিতীয়টি নন-হজকিন লিম্ফোমা। এটি একটি বড় ও বৈচিত্র্যময় গ্রুপ। এর অনেক ধরনের উপপ্রকার রয়েছে। কিছু ধীরে ধীরে বাড়ে, আবার কিছু দ্রুত অগ্রসর হতে পারে। রোগের ধরন, পর্যায়, রোগীর বয়স ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসাপদ্ধতি নির্ধারণ করা হয়।

লিম্ফোমার উপসর্গ ব্যক্তি ও রোগের ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে— ঘাড়, বগল বা কুঁচকিতে ব্যথাহীন লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া, দীর্ঘদিন ধরে জ্বর থাকা বা বারবার জ্বর হওয়া, রাতে অতিরিক্ত ঘাম হওয়া, অকারণে ওজন কমে যাওয়া, দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা ও ক্লান্তি, শরীরের বিভিন্ন অংশে চুলকানি, বারবার সংক্রমণে আক্রান্ত হওয়া, ক্ষুধা কমে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, বুকের অস্বস্তি বা দীর্ঘস্থায়ী কাশি— বিশেষ করে বুকের ভেতরের লিম্ফ নোড আক্রান্ত হলে। এ ছাড়া প্লিহা বা সংশ্লিষ্ট অঙ্গ আক্রান্ত হলে পেট ফুলে থাকা বা পেটে অস্বস্তি হতে পারে। তবে এসব লক্ষণ থাকলেই লিম্ফোমা হয়েছে— এমন নয়। অনেক সাধারণ রোগেও একই ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তাই দীর্ঘস্থায়ী বা অস্বাভাবিক পরিবর্তন থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

লিম্ফোমার কারণ : এ প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর সব ক্ষেত্রে পাওয়া যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে লিম্ফোমার নির্দিষ্ট একটি কারণ চিহ্নিত করা যায় না। শরীরের কোষের জেনেটিক পরিবর্তনের ফলে লিম্ফোসাইটের স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়ে অস্বাভাবিক বৃদ্ধি শুরু হতে পারে। কিছু সংক্রমণ, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতার পরিবর্তন এবং অন্যান্য জৈবিক কারণ নির্দিষ্ট কিছু লিম্ফোমার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে কোনো একটি কারণকে সব ধরনের লিম্ফোমার জন্য দায়ী করা ঠিক নয়।

লিম্ফোমা যেকোনো বয়সে হতে পারে। তবে কিছু পরিস্থিতিতে ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি হতে পারে। যেমন— বয়সের ক্ষেত্রে কিছু ধরনের লিম্ফোমা নির্দিষ্ট বয়সের মানুষের মধ্যে বেশি দেখা যায়। পারিবারিক ইতিহাস থাকলেও কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়তে পারে। জন্মগতভাবে বা কোনো রোগ কিংবা চিকিৎসার কারণে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে নির্দিষ্ট ধরনের লিম্ফোমার ঝুঁকি বাড়তে পারে। নির্দিষ্ট কিছু ভাইরাস ও অন্যান্য সংক্রমণের সঙ্গে কিছু লিম্ফোমার সম্পর্ক রয়েছে। আবার নির্দিষ্ট অটোইমিউন রোগে কিছু ধরনের লিম্ফোমার ঝুঁকি বাড়তে পারে। তবে ঝুঁকির কারণ থাকা মানেই লিম্ফোমা হবে— এমন নয়। আবার কোনো দৃশ্যমান ঝুঁকি না থাকলেও এ রোগ হতে পারে।

লিম্ফোমা শনাক্ত করতে চিকিৎসক প্রথমে রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থা মূল্যায়ন করেন। প্রয়োজন অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা, ইমেজিং পরীক্ষা যেমন সিটি স্ক্যান বা পিইটি-সিটি এবং অন্যান্য পরীক্ষা করা হতে পারে। তবে অনেক ক্ষেত্রে লিম্ফ নোড বা আক্রান্ত টিস্যুর বায়োপসি রোগ নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। বায়োপসির মাধ্যমে অস্বাভাবিক কোষের ধরন নির্ণয় করা যায় এবং কোন ধরনের লিম্ফোমা হয়েছে তা নির্ধারণে সহায়তা পাওয়া যায়। রোগের ধরন ও বিস্তৃতি নির্ধারণের পর চিকিৎসক চিকিৎসার পরিকল্পনা করেন।

লিম্ফোমার অ্যালোপ্যাথিক চিকিৎসা এক ধরনের নয়। রোগের ধরন, পর্যায়, কোষের বৈশিষ্ট্য, রোগীর বয়স ও সামগ্রিক স্বাস্থ্য বিবেচনা করে চিকিৎসা নির্বাচন করা হয়। চিকিৎসায় প্রয়োজনে কেমোথেরাপি, রেডিয়েশন থেরাপি, ইমিউনোথেরাপি, টার্গেটেড থেরাপি এবং কিছু ক্ষেত্রে স্টেম সেল ট্রান্সপ্লান্টের মতো পদ্ধতি ব্যবহার করা হতে পারে। কিছু ধীরগতির লিম্ফোমায় নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে তাৎক্ষণিক চিকিৎসার পরিবর্তে চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণও উপযুক্ত হতে পারে।

লিম্ফোমায় হোমিওপ্যাথিক ব্যবস্থাপনার প্রসঙ্গে বলা যায়, লিম্ফোমা একটি জটিল ক্যানসারজনিত রোগ। তাই রোগের ধরন ও পর্যায় নির্ণয় করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণের পাশাপাশি রোগীর সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার দিকেও গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় রোগীকে শুধু রোগের নাম দিয়ে বিবেচনা না করে তার ব্যক্তিগত উপসর্গ, শারীরিক বৈশিষ্ট্য, মানসিক অবস্থা, ঘুম, ক্ষুধা, দুর্বলতা, রোগের ইতিহাস এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যচিত্র বিবেচনা করে ওষুধ নির্বাচনের কথা বলা হয়। হোমিওপ্যাথিক ব্যবস্থাপনায় রোগীর উপসর্গের ধরন অনুযায়ী অ্যাপিস মেলিফিকা, আর্সেনিকাম অ্যালবাম, বেলাডোনা, ক্যালকেরিয়া কার্বোনিকা, ফসফরাস, সেপিয়া, সালফার, ন্যাট্রাম মিউরিয়াটিকাম, লাইকোপোডিয়ামসহ বিভিন্ন ওষুধের নাম প্রচলিত রয়েছে। তবে কোন রোগীর ক্ষেত্রে কোন ওষুধ প্রযোজ্য হবে, তা ব্যক্তিগত উপসর্গ ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ভিত্তিতে নির্ধারণ করার কথা বলা হয়; একই ওষুধ সবার জন্য প্রযোজ্য— এমন ধারণা হোমিওপ্যাথিক পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। হোমিওপ্যাথির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে রোগীর ব্যক্তিকেন্দ্রিক মূল্যায়ন ও সামগ্রিক স্বাস্থ্যচিত্রকে গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। ফলে রোগীর শারীরিক সমস্যার পাশাপাশি মানসিক চাপ, ঘুমের ব্যাঘাত, ক্ষুধামন্দা, দুর্বলতা ও দৈনন্দিন জীবনে অসুবিধার মতো বিষয়ও চিকিৎসকের কাছে তুলে ধরা গুরুত্বপূর্ণ।

লিম্ফোমায় রোগীর শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি- মানসিক স্বস্তি, পুষ্টিকর খাদ্য, পর্যাপ্ত বিশ্রাম, পরিচ্ছন্নতা এবং পরিবারের সহযোগিতাও গুরুত্বপূর্ণ। রোগী যদি হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন, তাহলে সংশ্লিষ্ট সব চিকিৎসককে তা জানানো উচিত, যাতে চলমান চিকিৎসার সঙ্গে কোনো সমস্যা তৈরি না হয়। লিম্ফোমায় মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত— সঠিক সময়ে রোগ শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা গ্রহণ করা এবং রোগীর সামগ্রিক সুস্থতা নিশ্চিত করা।

লিম্ফোমা কি প্রতিরোধ করা সম্ভব : সব ধরনের লিম্ফোমা প্রতিরোধের নির্দিষ্ট উপায় এখনো জানা নেই। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই এর সঠিক কারণ শনাক্ত করা যায় না। তবে সামগ্রিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় কিছু অভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ। সংক্রমণ প্রতিরোধে হাত পরিষ্কার রাখা, নিরাপদ খাদ্য ও পানি ব্যবহার এবং প্রয়োজনীয় টিকা গ্রহণ সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। ধূমপান ও তামাক এড়িয়ে চলাও জরুরি। তামাক শরীরের বিভিন্ন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য থেকে দূরে থাকা উচিত। স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনও গুরুত্বপূর্ণ।

সুষম খাবার, নিয়মিত শারীরিক কর্মকাণ্ড, পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা সামগ্রিক সুস্থতার জন্য প্রয়োজনীয়।

দীর্ঘস্থায়ী উপসর্গ অবহেলা করা উচিত নয়। ঘাড়, বগল বা কুঁচকির কোনো লিম্ফ নোড দীর্ঘদিন ফুলে থাকলে, অকারণে জ্বর, রাতে অতিরিক্ত ঘাম, অস্বাভাবিক ওজন কমে যাওয়া বা দীর্ঘস্থায়ী দুর্বলতা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। লিম্ফ নোড ফুলে গেলে অনেকেই নিজের মতো করে ওষুধ শুরু করেন। এতে প্রকৃত রোগ নির্ণয়ে দেরি হতে পারে। তাই নিজে নিজে চিকিৎসা না করে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসকের পরামর্শ ও পরীক্ষা করানোই নিরাপদ।

সচেতনতাই গুরুত্বপূর্ণ। লিম্ফোমা নিয়ে ভয় নয়, প্রয়োজন সচেতনতা ও সময়মতো চিকিৎসা। লিম্ফ নোড ফুলে যাওয়া মানেই ক্যানসার নয়— সাধারণ সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণেও এটি হতে পারে। আবার কোনো উপসর্গ দীর্ঘদিন ধরে থাকলে সেটিকে অবহেলাও করা উচিত নয়। বিশ্ব লিম্ফোমা সচেতনতা দিবসের মূল বার্তা হতে পারে— শরীরের অস্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন হওয়া, প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া এবং রোগ নির্ণয় হলে চিকিৎসার পরিকল্পনা মেনে চলা।

পরিশেষে বলা যায়, লিম্ফোমা একটি জটিল রোগ হলেও আধুনিক চিকিৎসায় এর বিভিন্ন ধরন নিয়ন্ত্রণ ও চিকিৎসার সুযোগ রয়েছে। রোগের ধরন ও পর্যায় অনুযায়ী চিকিৎসার ফলাফলও ভিন্ন হতে পারে। তাই লিম্ফোমা সম্পর্কে সঠিক ধারণা, ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতনতা এবং অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

১৫ সেপ্টেম্বর বিশ্ব লিম্ফোমা সচেতনতা দিবসে অঙ্গীকার হোক—ভয় নয়, রোগ সম্পর্কে জানব; উপসর্গ অবহেলা করব না; প্রয়োজন হলে দ্রুত চিকিৎসা নেব এবং অন্যকেও সচেতন করব।

লেখক : কলাম লেখক ও জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষক

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত