
সিনেমা হলে চলছে বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত সিনেমা মালিক। সেরেশ থাকতেই ওটিটি মাধ্যমে মুগ্ধতা ছড়াতে আসছেন অভিনেত্রী। ২১ জুন চরকিতে মুক্তি পাচ্ছে তার অভিনীত ওয়েব সিনেমা ‘লাইফলাইন’।
এটি নির্মাণ করেছেন কাজী আসাদ। তিনি জানান, ভালোবাসার টানে মানুষ কত দূর যায়। কত কিছু হারানোর ঝুঁকি নিতে পারে! শহুরে মেয়ে অনন্যার দুর্গম যাত্রা কেন এবং এর শেষ কোথায়? এসব উত্তরের মধ্যে দিয়ে গভীর কিছু অনুভূতির কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছে। এতে মিম ছাড়াও অভিনয় করেছেন রেজওয়ান পারভেজ, গাজী রাকায়েত, আ খ ম হাসান, খায়রুল আলম সবুজ, নাজনীন হাসান চুমকি, আনিসা নূর আয়াত, ফাতেমাতুজ জোহরা ইভা।
কাজী আসাদ বলেন, ‘আধুনিক বাংলা হোটেলের পর আমি চাচ্ছিলাম ব্যক্তিগতভাবে নতুন কিছু করতে। ড্রামা আমার খুব পছন্দের। সেই জায়গা থেকে ড্রামা বা সোশ্যাল ড্রামা নিয়ে কাজ করা। গল্পের আইডিয়াটা শোনার পর মনে হয়েছিল এটা সিনেমার গল্প হতে পারে। সোশ্যাল ড্রামা ঘরানার এই গল্পটার মধ্যে সোশ্যাল অ্যাওয়ারনেসও আছে, ইমোশন আছে। এই বিষয়টা ফিল্ম মেকার হিসেবে আমার খুব ভালো লাগল। গল্পটার মধ্যে সচেতনভাবে এমন কিছু বলতে চেয়েছি যেটা দর্শকের সঙ্গে সাথে নির্মাতার এক ধরনের যোগাযোগ তৈরি করে।’
গল্পের নাম ’লাইফলাইফ’ হওয়ার কারণ জানতে চাইলে কাজী আসাদ বলেন, ‘স্টোরি ফিলোসফিটা এখন না বলাই ভালো। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যে অডিয়েন্স খুব হালকা মাথায় একদম কোনো প্রিপারেশন ছাড়াই সিনেমাটা দেখতে বসলে সহজ সুন্দর গল্প দেখতে পারবে। ওটিটির কনটেন্ট ব্যস্ততার কারণে অনেক সময় কিছু অংশ করে দুই-তিনবারে দেখি। দর্শকদের কাছে অনুরোধ থাকবে, তারা যেন একটু সময় নিয়ে একবারে ছবিটা দেখে ফেলেন।