
প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশা। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে শুনানি শেষে তার জামিন মঞ্জুর করা হয়।
সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছান তানজিন তিশা। কিছুক্ষণ নিজের গাড়িতে অপেক্ষা করার পর আদালতে প্রবেশ করেন তিনি। তাকে ঘিরে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত ছিলেন বিপুলসংখ্যক গণমাধ্যমকর্মী।
শুনানি শেষে আদালত থেকে বেরিয়ে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন এই অভিনেত্রী। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টেও মামলাটিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেন তিনি।
তানজিন তিশা বলেন, সত্যের জয় সুনিশ্চিত এবং আইনের প্রতি তিনি সবসময় শ্রদ্ধাশীল। তার দাবি, উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন।
মামলাটি যে শাড়িকে কেন্দ্র করে, সেটি নিয়ে তিশার বক্তব্য শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি শাড়িটির প্রচারণার যে প্রতিশ্রুতি ছিল, সেটিও তিনি পালন করেছেন বলে দাবি করেন অভিনেত্রী।
তিশা আরও অভিযোগ করেন, শাড়ি নিয়ে যে ফেসবুক পেজের সঙ্গে তার কথা হয়েছিল, সেই ব্যবসার কথিত মালিক বৃহস্পতিবার আদালতে উপস্থিত থাকলেও নিজেকে আড়ালে রেখেছেন। তার ভাষ্য, ওই নারীই শুরু থেকে শাড়িটি নিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন।
অভিনেত্রীর দাবি, শাড়িটি পরিধান করে তিনি অনেক আগেই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ছবি প্রকাশ করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট পেজটিকেও নিয়ম অনুযায়ী মেনশন করেছেন। এরপরও একই বিষয়কে কেন্দ্র করে ফৌজদারি মামলা করাকে তিনি ‘নেগেটিভ মার্কেটিং’ ও প্রচার পাওয়ার কৌশল বলে মন্তব্য করেন।
একই সঙ্গে তানজিন তিশা অভিযোগ করেন, ওই নারীর স্বামী সচিব হওয়ায় মামলাটিতে ‘ক্ষমতার দারুণ অপব্যবহার’ করা হয়েছে। তবে তার ভাষ্য, সত্যের কাছে ক্ষমতার বড়াই টেকে না।