ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট ২০২৬, ৫ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

৯ ভাষায় রিমেক হয়েছিল সিনেমাটির

৯ ভাষায় রিমেক হয়েছিল সিনেমাটির

একটি সিনেমা। ভাষা বদলেছে ৯ বার। গল্পের মূল আবেগ একই থেকেছে, বদলেছে চরিত্রের নাম, সংলাপ, গান ও পরিবেশ। ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এমন নজির খুব বেশি নেই। তেলুগু ভাষার ‘নুভ্বোস্তানান্তে নেনোদ্দান্তানা’ এমনই এক সিনেমা, যার গল্প পরে ভারতের বিভিন্ন ভাষায় নতুন করে পর্দায় এসেছে। বাংলাদেশেও তৈরি হয়েছে এর রিমেক। মোট নয়টি ভাষায় রিমেক হওয়া এ সিনেমাটি ভারতীয় চলচ্চিত্রে সবচেয়ে বেশি ভাষায় রিমেক হওয়া সিনেমাগুলোর একটি।

২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘নুভ্বোস্তানান্তে নেনোদ্দান্তানা’ ছিল প্রভু দেবার পরিচালক হিসেবে অভিষেক। প্রযোজনা করেন এম এস রাজু। অভিনয়ে ছিলেন সিদ্ধার্থ, ত্রিশা কৃষ্ণন ও শ্রীহরি। সংগীত পরিচালনা করেন দেবী শ্রী প্রসাদ। ১৪ জানুয়ারি মুক্তির পর সিনেমাটি দর্শকের ব্যাপক সাড়া পায় এবং ওই বছরের তেলুগু সিনেমার অন্যতম বড় সাফল্য হয়ে ওঠে।

গল্পের কেন্দ্রে প্রেম থাকলেও এটি কেবল প্রেমের সিনেমা নয়। লন্ডনে বেড়ে ওঠা শহুরে তরুণ সন্তোষের সঙ্গে গ্রামের মেয়ে শ্রী’র প্রেম এবং সেই প্রেমকে মেনে নেওয়ার ক্ষেত্রে শ্রী’র বড় ভাইয়ের কঠোর অবস্থান গল্পকে এগিয়ে নেয়। প্রেমিকাকে পাওয়ার জন্য সন্তোষকে শুধু শ্রীকে ভালোবাসলেই হয় না, প্রমাণ করতে হয় যে সে তার পরিবারের মূল্যবোধ ও সম্পর্ককেও সম্মান করতে পারে।

এ জায়গাটিই সম্ভবত সিনেমাটিকে বিভিন্ন অঞ্চলের দর্শকের কাছে সহজে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছিল। গল্পে ছিল প্রেম, পরিবার, ভাই-বোনের সম্পর্ক, আত্মসম্মান, গ্রাম ও শহরের জীবনযাপনের পার্থক্য। ফলে ভাষা বদলালেও গল্পের আবেগ খুব বেশি বদলানোর প্রয়োজন হয়নি।

সিনেমাটির সাফল্যের পর বিভিন্ন ভাষায় এর রিমেক হতে থাকে। ২০০৬ সালে প্রথমে কন্নড় ও তামিল ভাষায় রিমেক হয়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত