
অস্ট্রেলিয়া সফর যাচ্ছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান। সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ না জানালেও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এই সফরের প্রস্তুতি শুরু হবে। গতকাল সোমবার শফিকুর রহমানের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এরপর জামায়াতের প্রেস বিভাগ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এদিন বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে শফিকুর রহমানের আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সফর, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী সময়ে গণতন্ত্রকে আরও অর্থবহ করে তুলতে সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকা এবং সংসদীয় গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সাক্ষাৎটি আন্তরিক, ইতিবাচক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। বিরোধী দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া গণতন্ত্র কার্যকর ও প্রাণবন্ত হতে পারে না মর্মে এ সময় অভিমত ব্যক্ত করা হয়। উভয় পক্ষ ঘোষিত জাতীয় বাজেট এবং বিরোধী দলের প্রস্তাবিত ছায়া বাজেট নিয়েও মতবিনিময় করেন।’ বৈঠকে রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা উন্নয়নের বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গ বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার হাই কমিশনারের সঙ্গে এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশনের ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) মি. হ্যারি থমসন এবং ফার্স্ট সেক্রেটারি (রাজনৈতিক) অ্যানা পিটারসন। আর বিরোধী দলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমান, মারজিয়া আক্তার এমপি, মারদিয়া মমতাজ এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।