
আগামী চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিএনপির আন্দোলনের ফসল।’ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর ওপর হাইকোর্টের রায় আপিল বিভাগে বহাল রাখার বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে তিনি এ কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, ‘তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফেরানো আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গীকার। আগামী নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে তত্ত্বাবধায়ক নাকি অন্তর্বর্তী সরকার থাকবে, সব শ্রেণির মানুষের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত হবে।’ তিনি জানান, জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিয়ে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তার ভাষায়, ‘রায়ে ৫৪টি বিষয়ে বলা হয়েছে। জুলাই সনদকে প্রাধান্য দিয়ে ওই ৫৪টি বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এ ছাড়া এই রায়ে অন্তত চারটি বিষয়ে জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণ হয়েছে।’ মো. আসাদুজ্জামান আরও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায় এবং জনগণের আকাঙ্ক্ষা সামনে রেখেই রায় বাস্তবায়ন করা হবে। জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনেই জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন উত্থাপন করা হবে।’ এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
এ আদেশের ফলে সংবিধানে গণভোট ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা ফিরে এসেছে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।