ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

কাদের-সাদ্দামসহ ৭ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি চায় রাষ্ট্রপক্ষ

চব্বিশের জুলাই-আগস্টে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন দমনে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড চেয়ে যুক্তিতর্ক শেষ করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের চিফ প্রসিকিউর মো. আমিনুল ইসলাম। গতকাল বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এমন শাস্তির দাবি জানান চিফ প্রসিকিউটর। প্যানেলের অপর সদস্যরা হলেন—বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এ মামলায় সাত আসামিরই অপরাধ গুরুতর। তাদের বিরুদ্ধে আনা চারটি অভিযোগই আমরা প্রমাণ করতে পেরেছি। চব্বিশের জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে অনেক মানুষকে হত্যা ও আহত করার জন্য তারা দায়ী। তাদের দৃষ্টান্ত শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। কোনো অনুকম্পা না দিয়ে এই সাত আসামির সর্বোচ্চ সাজা চাই। যেন এমন রাজনীতিবিদ দেশে আর জন্ম না নেন। ষষ্ঠ দিনের মতো রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তিতর্ক করেন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম। এরপর শুরু করেন চিফ প্রসিকিউটর। প্রসিকিউশনের যুক্তি উপস্থাপন শেষে পলাতক আসামিদের পক্ষে সরকারি খরচে নিয়োগ পাওয়া রাষ্ট্রীয় খরচে নিযুক্ত আইনজীবী এম হাসান ইমাম যুক্তিতর্ক শুরু করেন। ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, মঈনুল করিম, তারেক আবদুল্লাহসহ অন্যান্য প্রসিকিউটর। গত ৪ আগস্ট এ মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউশনের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুরু হয়। প্রথম দিন প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম যুক্তি-তর্ক উপস্থাপন শুরু করে পরপর টানা পাঁচ কার্যদিবসে পর্যায়ক্রমে ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে উঠে আসা বিভিন্ন অভিযোগের তথ্য-উপাত্ত ও যুক্তি উপস্থাপন করা হয়।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত