
সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে হামের উপসর্গে চারজন এবং নিশ্চিত হামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল বুধবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদফতরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে চার শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৮৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে ৯৯ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এ সময়ে মোট ৮৮৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে ৯৪১ শিশু এবং নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ৮৪ শিশু। একই সময়ে ৮৭৯ শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ৮৪৭ শিশু সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ১২ আগস্ট পর্যন্ত দেশে মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৩৯ হাজার ১২৫ জন। এ সময়ে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৪৬৯ জন। এ ছাড়া, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ২১ হাজার ১৩ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮২৭ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে।
ডেঙ্গুতে একদিনে ২ জনের মৃত্যু : মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গুতে ভুগে গত ২৪ ঘণ্টায় বা একদিনে সারা দেশে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ের মধ্যে রোগটি নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরও ৭২৩ জন। এ নিয়ে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৬৩ জন। অন্যদিকে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হয়ে গেল ২১ হাজার ৫৫০ জন। গতকাল বুধবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুমের প্রকাশিত ডেঙ্গুবিষয়ক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদন বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া দুজনের মধ্যে একজন খুলনা বিভাগের এবং অন্যজন বরিশাল বিভাগের।
একই সময়ে নতুন আক্রান্তদের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ৩২০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৪৫ জন, চট্টগ্রাম বিভাগের ৮৩ জন, খুলনা বিভাগের ৯৮ জন, রাজশাহী বিভাগের ৬৩ জন, রংপুর বিভাগের ১২ জন, বরিশাল বিভাগের ১০১ জন এবং সিলেট বিভাগের একজন রোগী রয়েছেন।
অধিদপ্তর আরও বলছে, চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ১৯ হাজার ৮৯৪ জন ডেঙ্গু রোগী সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে ভর্তি আছেন ১ হাজার ৫৯৩ জন।