ঢাকা মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই

বললেন চিফ প্রসিকিউটর
শেখ হাসিনার আর আপিলের সুযোগ নেই

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৩০ দিনের মধ্যে আপিল না করলে আর সুযোগ থাকে না বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, আইন সবার জন্য সমান। পলাতক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ হোক কিংবা মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলে আপিলের সুযোগ নেই। গতকাল সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সংবাদ সম্মেলনকক্ষে আবুল কালাম আজাদের আপিল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আমিনুল ইসলাম বলেন, মাওলানা আবুল কালাম আজাদকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিলেন ট্রাইব্যুনাল। তিনি যেকোনো কারণেই হোক দীর্ঘদিন দেশে ছিলেন না। আপিলও করেননি। আমাদের আইনে ২১-এর ৩-এ পরিষ্কার বলা হয়েছে যে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল করতে হবে। যদি এর মধ্যে আপিল করা না যায়, তাহলে আর গ্রহণযোগ্য হবে না। সেটা যে কারো ক্ষেত্রেই হোক। পলাতক বা কারাগারে থাকলেও ৩০ দিনের মধ্যে আপিল ফাইল করতে হবে। অর্থাৎ সেটা হোক শেখ হাসিনার কিংবা মাওলানা আবুল কালাম আজাদ।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, কিছুদিন আগে আপিল বিভাগে মাওলানা আবুল কালাম আজাদের মামলা নিয়ে শুনানি হয়। প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আমি এসব আইন দেখিয়েছি। এছাড়া মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আপিলটি এখনও গ্রহণই করেননি আপিল বিভাগ। সেক্ষেত্রে আপিল বিভাগের সামনে এখন কোনো পেন্ডিং প্রসিডিং নেই। আমার মনে হয় আবুল কালাম আজাদের আইনজীবীরাও আইনগত বিষয়টি সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে সক্ষম হয়েছেন। এ কারণেই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তারা আর নেননি। সরকার যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে কেউ যদি আপিল না করেন, তাহলে অন্য কোনো ফোরামেও আর আইনগত প্রতিকার চাওয়ার উপায় থাকবে না। অতএব ট্রাইব্যুনালে হওয়া রায়ের পরিপ্রক্ষিতে যদি ৩০ দিন অতিক্রান্ত হয়ে যায়, তাহলে সেটি বাস্তবায়ন করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প আছে বলে আমার কাছে মনে হয় না। তবে যেকোনো সাজা স্থগিত করতে পারে সরকার। এটি সরকারের একটা ইনহেরেন্ট পাওয়ার তথা অন্তর্নিহিত বা সহজাত ক্ষমতা। তারা যে কারো ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করতে পারে আবার কারো ক্ষেত্রে নাও করতে পারে। এটা সরকারের ইচ্ছা।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত