ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

চাপ দিয়ে লংমার্চ থামানো যাবে না চাবিকাঠি ইমরান খানের হাতে

চাপ দিয়ে লংমার্চ থামানো যাবে না চাবিকাঠি ইমরান খানের হাতে

পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা শওকত ইউসুফজাই বলেছেন, কোনো চাপের মুখেই লংমার্চ বন্ধ হবে না। লংমার্চ শেষ করার চাবিকাঠি রাওয়ালপিন্ডির আদিয়ালা কারাগারে বন্দি দলটির প্রতিষ্ঠাতা ইমরান খানের হাতে। গতকাল বুধবার দেশটির গণমাধ্যমগুলোর সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন। খবর জিও নিউজ উর্দুর।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানে ইমরান খানের মুক্তি, তার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ এবং দলটির অন্যান্য নেতাকর্মীদের মুক্তিসহ বিভিন্ন দাবিতে লংমার্চ করছে পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)। এ কর্মসূচিকে ঘিরে পিটিআই ও সরকারের মধ্যে উত্তেজনা ও আলোচনা দুটোই অব্যাহত রয়েছে। শওকত ইউসুফজাই প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, 'প্রধানমন্ত্রী, গণমাধ্যমে আলোচনা-আলোচনা খেলা বন্ধ করুন। যদি আপনাদের ক্ষমতা থাকে, তাহলে আমাদের ন্যায্য দাবিগুলো মেনে নিন।' তিনি বলেন, ইমরান খানের সঙ্গে সাক্ষাতের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করতে হবে, তাকে হাসপাতালে স্থানান্তর করতে হবে এবং তার মামলাগুলোর শুনানি করতে হবে। একই সঙ্গে ইমরান খানের বোনসহ কারাগারে বন্দি সব নারীকে মুক্তি দেওয়ার দাবিও জানান তিনি।

সোহাইল আফ্রিদিকে নিয়ে চলমান পরিস্থিতির বিষয়ে শওকত ইউসুফজাই বলেন, তার বিরুদ্ধে যে নেতিবাচক প্রচারণা চালানো হচ্ছে, তা অত্যন্ত দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। ম্যান্ডেট কেড়ে নিলে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল হবে না। সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হলে সব অংশীজনকে নিয়ে আলোচনায় বসতে হবে। তিনি বলেন, সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করতে হলে কেন্দ্রীয় সরকারকে প্রাদেশিক সরকারের সঙ্গে মিলে সব অংশীজনকে আলোচনায় বসাতে হবে এবং সমস্যার সমাধান করতে হবে। শওকত ইউসুফজাই আরও বলেন, সোহাইল আফ্রিদিকে অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে উপজাতীয় জনগোষ্ঠীর মধ্যেও উদ্বেগ সৃষ্টি হবে। এটি কোনোভাবেই দেশের স্বার্থে হবে না এবং এর মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদও কমবে না। এদিকে আলোচনার বিষয়ে পিটিআই নেতা ব্যারিস্টার গওহর বলেন, প্রধানমন্ত্রী শর্তসাপেক্ষে আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন। সরকার তাদের ওপর বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করছে। রাজনৈতিক ব্যক্তিরা সাধারণত কোনো শর্ত ছাড়াই আলোচনায় বসেন। পিটিআই আলোচনায় বসতে অস্বীকার করেনি, তবে আলোচনা অবশ্যই শর্তহীন হতে হবে। তিনি বলেন, সরকার বাইরে এসে ভেতরের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করেছে। সংবাদ সম্মেলনে যতটা সময় ব্যয় করা হয়েছে, তার অর্ধেক সময়ও যদি আলোচনায় দেওয়া হতো, তাহলে সমস্যার সমাধান হয়ে যেত। ব্যারিস্টার গওহর আরও বলেন, সরকারের কয়েকজন সদস্যের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান বের করার চেষ্টা চলছে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত