
খুলনার দিঘলিয়া উপজেলায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে খান মুরাদ (৪৪) নামে এক যুবদল নেতা নিহত হয়েছেন। গতকাল শুক্রবার বিকেলে উপজেলার সেনহাটি এলাকার কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (টিটিসি) সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত খান মুরাদ হাজিগ্রাম এলাকার বাসিন্দা খান মুনসুর আহমেদের ছেলে। তিনি সেনহাটি ইউনিয়ন যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন। রাজনীতির পাশাপাশি তিনি ড্রেজার (খনন) ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। নিহত ব্যক্তির মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। সন্ধ্যার পর সেখানে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. মনিরুজ্জামান মন্টু ও বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা- কর্মীরা উপস্থিত হন। তাঁরা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, খুলনা শহর থেকে নিজ বাড়ি হাজিগ্রামে ফেরার পথে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে সেনহাটি কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সামনে পৌঁছালে কয়েকজন যুবক খান মুরাদের গতি রোধ করেন। এ সময় মুরাদ দৌড়ে পাশের একটি দোকানে আশ্রয় নেন। সেখান থেকে তাঁকে টেনে বের করে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করা হয়। একপর্যায়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন খান মুরাদকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।