
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার প্রয়াত ভাই আরাফাত রহমান কোকোকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি জানিয়েছেন গাজীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনের ১১তম দিনে গতকাল বুধবার রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ দাবি করেন।
মুজিবুর রহমান বলেন, ‘১৯৭১ সালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে দীর্ঘ ৯ মাস বন্দি থেকেও যে অসীম ধৈর্য ও দেশপ্রেমের পরিচয় এই (জিয়া) পরিবারটি দিয়েছে, তা ইতিহাসে বিরল। আমাদের প্রিয় নেত্রী, দেশমাতা বেগম খালেদা জিয়া ১৯৭১ সালে তার দুই সন্তানসহ পাকিস্তানিদের হাতে বন্দি ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার ছোট ভাই আরাফাত রহমান কোকো সেই অবর্ণনীয় কষ্টের দিনগুলো পার করেছেন মায়ের সঙ্গে বন্দিশালায়। এটি কোনও রাজনৈতিক চাটুকারিতা নয়, বরং ইতিহাসের সত্য।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি নির্বাচনের আগেও বিভিন্ন রাজনৈতিক বক্তৃতায় বলেছি, আজও বলছি- বেগম খালেদা জিয়াকে তার অবদানের জন্য পূর্ণাঙ্গ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিতে হবে। পাশাপাশি, ৯ মাস বন্দি জীবন কাটানোয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহোদর ভাইকে শিশু মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা দেওয়া এখন সময়ের দাবি।’
বিএনপি দলীয় এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘তারেক রহমানের যুগান্তকারী উক্তি ও দেশপ্রেমের আহ্বানে সাড়া দিয়ে সাধারণ মানুষ রাজপথে নেমেছিল। তারা বিশ্বাস করেন, একটি বৈষম্যহীন দেশ গড়তে হলে ইতিহাসের প্রতিটি ত্যাগের সঠিক মূল্যায়ন প্রয়োজন।’
প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘তাকে পরিকল্পিতভাবে তিলে তিলে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে। শৈশবে যুদ্ধের ময়দানে বন্দি থাকা থেকে শুরু করে পরবর্তী জীবনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হওয়া পর্যন্ত তার জীবনের প্রতিটি অধ্যায় বেদনাবিধুর।’