ঢাকা বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

সুসংবাদ প্রতিদিন

সিরাজগঞ্জে কাউন চাষাবাদে সুদিন ফিরছে

সিরাজগঞ্জে কাউন চাষাবাদে সুদিন ফিরছে

সিরাজগঞ্জে এবার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন স্থানে কাউন চাষাবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। এর মধ্যেই এ কাউন কাটা ও মাড়াই পুরোদমে শুরু হয়েছে। বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকেরা খুশি। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জেলার ৯টি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ১২৫ হেক্টর জমিতে কাউন চাষাবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল। কৃষকরা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কিছুটা বেশি এ লাভজনক কাউন চাষাবাদ করেছেন এবং উৎপাদন হয়েছে ১১৫ মে. টন দেশীয় জাতের কাউন। এছাড়া যমুনা নদীর তীরবর্তী শাহজাদপুর, চৌহালী, বেলকুচি, কাজিপুর ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে সবচেয়ে বেশি চাষাবাদ করেছেন। এরমধ্যে কাজিপুর উপজেলার নাটোয়ারপাড়া, তেকানি, নিশ্চিন্তপুর, খাসরাজবাড়ি, চরগিরিশ ও শুভগাছা ইউনিয়নের চরাঞ্চলে অধিকাংশ কৃষকরা প্রতিবছরই এ লাভজনক ফসল চাষাবাদ করে থাকেন। স্থানীয় কৃষকরা বলছেন, প্রতিবছর মার্চ মাসের মাঝামাঝি জমিতে কাউনের বীজ বোপণ করা হয় এবং এ চাষাবাদে সারসহ বিভিন্ন খরচও কম হয়ে থাকে। চরাঞ্চল ও দোঁআশ মাটিতে এ চাষাবাদে উৎপাদন বেশি হয়ে থাকে। এজন্য চরাঞ্চলের কৃষকেরা এ চাষাবাদে ঝুকে পড়েছে এবং নদী ভাঙ্গনে এ চাষাবাদে অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্তের শিকার হন। চরাঞ্চলসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে এ লাভজনক চাষাবাদে বাম্পার ফলন হয়েছে। গত মাসের মাঝামাঝি থেকে এ কাউন কাটা ও মাড়াই শুরু করা হয়েছে এবং নামি কাউন কাটা ও মাড়াইয়ে কয়েক সপ্তাহ লাগবে। স্থানীয় হাট বাজারে নতুন কাউন উঠছে এবং প্রতিমণ কাউন ২ হাজার টাকা থেকে আড়াই হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাউনের চালের পায়েস, জাই, মোয়া, খাঁজাসহ বিভিন্ন রকমের সুস্বাদু খাবার তৈরি হয়ে থাকে। এজন্য হাট বাজারে এ কাউনের চালের চাহিদা বেশি। এজন্য বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকেরা এ চাষাবাদে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছে। এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক জেরিন আহম্মেদ আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, কম খরচে এ লাভজনক চাষাবাদে এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে এ চাষাবাদ করে থাকেন প্রতিবছর কৃষকরা। এর মধ্যেই প্রায় ৭০% এ কাউন কাটা ও মাড়াই শেষ হয়েছে। বর্তমানে বাজারে দাম ভালো থাকায় কৃষকরা এখন খুশি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত