ঢাকা শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ

এলএনজি সরবরাহ বাড়ায় স্বাভাবিক গ্যাস সরবরাহ

কক্সবাজারের মহেশখালী ভাসমান টার্মিনালে কার্গো থেকে এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) স্থানান্তর শুরুর পর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে থাকে। ফলে সকাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে। বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজসম্পদ কর্পোরেশনের (পেট্রোবাংলা) পরিচালক (অপারেশন এন্ড মাইনস) প্রকৌশলী মো. শোয়েব জানান, গতকাল শুক্রবার সকাল ৭টা থেকে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হয়েছে। বর্তমানে জাতীয় গ্রিডে ২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। গ্যাস সরবরাহ আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি জানান, শিল্পকারখানাসহ আবাসিক খাতে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সাময়িকভাবে গ্যাস সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল।

পেট্রোবাংলার হিসাবে, সকাল ১০টার দিকে জাতীয় গ্রিডে মোট গ্যাস সরবরাহ ছিল ২ হাজার ৩৪১ মিলিয়ন ঘনফুট। এ সময় দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬০৩ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি থেকে সরবরাহ করা হয় ৭৩৮ মিলিয়ন ঘনফুট। দুপুর ২টার দিকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বেড়ে ২ হাজার ৫২৫ মিলিয়ন ঘনফুটে দাঁড়ায়। এ সময় দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ ছিল ১ হাজার ৬০৭ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আরএলএনজি থেকে সরবরাহ ছিল ৯১৮ মিলিয়ন ঘনফুট।

পেট্রোবাংলা সূত্র জানায়, ইন্দোনেশিয়া থেকে টোটালএনার্জির মাধ্যমে স্পট মার্কেট থেকে কেনা এলএনজিবাহী কার্গো থেকে আজ সকাল ৭টার দিকে মহেশখালীর সামিট টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর শুরু হয়। এরপর জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়তে থাকে। এর আগে, গত বৃহস্পতিবার দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে আমদানিকৃত এলএনজি কার্গো থেকে মহেশখালীতে ভাসমান টার্মিনালে এলএনজি স্থানান্তর প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। এতে আরএলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ায় জাতীয় গ্রিডে সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কিছুটা হ্রাস পায়। গত শুক্রবার পেট্রোবাংলা জানিয়েছিল, বঙ্গোপসাগরের আবহাওয়া পরিস্থিতির উন্নতি হলে দ্রুততম সময়ে এলএনজি স্থানান্তর কার্যক্রম স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতিও স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত