ঢাকা বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১২ ফাল্গুন ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

লেবু-শসা-বেগুনের দাম কমছে

* এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকা * শসা ও খিরার দাম ৬০-৮০ টাকা * বেগুনের দাম ৬০-৮০ টাকা
লেবু-শসা-বেগুনের দাম কমছে

রোজার শুরুতে বাজারে লেবুর যে দাপট ছিল, এখন সেটা কিছুটা কমেছে। এখন ১৫ টাকার মধ্যে এসেছে প্রতিটি লেবুর দাম, যা রোজার শুরুতে দ্বিগুণ ছিল। একইভাবে শসা ও বেগুনের দামও কেজিপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত কমেছে।

গতকাল রোববার রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা যায়, বাজারে এখন মোটামুটি মানের এক হালি লেবুর দাম ৬০ টাকা।

আকারে একটু বড় হলে এক হালির দাম পড়বে ৮০ টাকা, যা রোজার আগের দিন থেকে প্রথম দুদিন যথাক্রমে ১০০ ও ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এবারের রমজানে মূল্যবৃদ্ধির শীর্ষে রয়েছে এ পণ্যটি। রমজান মাস শুরুর ঠিক আগের দিন গত বুধবার ও রোজার প্রথম এবং দ্বিতীয় দিন আকার ও মানভেদে খুচরায় এক হালি লেবু সর্বোচ্চ ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। যেখানে এই দামে এক ডজন ডিম, এক কেজির বেশি ছোলা, চিনি বা দুই কেজি চাল কেনা সম্ভব। তবে এখন বিক্রেতারা বলছেন, দিন যত যাচ্ছে লেবুর দাম তত কমছে। গত শনিবার প্রতি ডজন লেবুতে ১০ টাকা এবং রোববার আরও ১০-২০ টাকা দাম কমেছে।

মালিবাগ বাজারের বিক্রেতা ফরিদ হোসেন বলেন, রোজার প্রথমে সবাই শরবত খেতে লেবু কেনেন। তখন দাম বেশি হলেও গায়ে লাগে না। এখন দিন যত যাবে, ঝোঁক তত কাটতে থাকবে। শেষে এক টাকা বেশি দিয়ে লেবু কেনার লোকও (ক্রেতা) থাকবে না।

কাঁচামরিচণ্ডশসা-বেগুনের দামও কমছে : গত শুক্রবারের পরে দুদিনে কাঁচামরিচ, খিরা ও শসার দাম আরও কিছুটা কমেছে। মান ও জাতভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ গতকাল বিক্রি হয়েছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়, যা দুই দিন আগেও ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা উঠেছিল।

এদিকে গতকাল রোবরার শসা ও খিরা বিক্রি হয়েছে ৬০-৮০ টাকায়, যা আগে ১০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা গেছে। অন্যদিকে ইফতারে অনেকে বেগুনি খেতে পছন্দ করেন। যে কারণে প্রতি বছর রমজানের সময় বেগুনের দাম বাড়ে। সেই ‘ঐতিহ্য’ এবারও বজায় ছিল। রোজার শুরু থেকে প্রতি কেজি লম্বা বেগুনের দাম ২০ টাকা বেড়ে হয় ৮০-১০০ টাকা। এখন সেই বেগুন আবারও ৬০ থেকে ৮০ টাকায় নেমেছে।

সবজি বিক্রেতা বুলু মিয়া বলেন, এখন দিন দিন সবজির চাহিদা কমবে। স্কুল-কলেজ বন্ধ হয়ে গেছে, কয়েকদিন পর থেকে মানুষ গ্রামে যেতে শুরু করবে। প্রতি বছরই এমন হয়। শুরুতে সবজির দাম বেশি থাকলেও রোজার এক সপ্তাহ গেলে কমতে থাকে, কিন্তু তখন কেউ খোঁজ নেয় না।

এদিকে সবুজ নামের একজন ক্রেতা বলেন, রোজা এলেই নিত্যপণ্যের দাম বাড়বে, এটি নিয়তি। কারণ ওই সময় বাড়তি চাহিদা পুঁজি করে পাইকারি থেকে খুচরা- সব পর্যায়ের বিক্রেতারা রমজানে অতিরিক্ত মুনাফা করেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত