
বছরের পর বছর আলোচনার পর প্যাকেটজাত খাদ্যের সম্মুখভাগে সতর্কতামূলক লেবেল চালুর প্রস্তাব খাদ্য মন্ত্রণালয়ে; তবে চূড়ান্তকরণ ও বাস্তবায়নের সময়সীমা নিয়ে প্রশ্ন রয়ে গেছে। খাদ্যপণ্যের প্যাকেটের সম্মুখভাগে উচ্চমাত্রার চিনি, লবণ বা সোডিয়াম এবং সম্পৃক্ত চর্বি সম্পর্কে স্পষ্ট সতর্কতামূলক তথ্য থাকলে ভোক্তারা সহজেই সম্ভাব্য পুষ্টিগত ঝুঁকি শনাক্ত করতে পারেন। স্বাস্থ্যকর খাদ্য নির্বাচনকে সহায়তা করাই ফ্রন্ট-অব-প্যাকেজ লেবেলিং বা এফওপিএল ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য।
বাংলাদেশে এফওপিএল চালুর উদ্যোগ বেশ কয়েক বছর ধরে নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে আলোচিত হচ্ছে। সর্বশেষ প্রস্তাবিত প্রবিধানমালার খসড়া খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। তবে চূড়ান্ত অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশের নির্দিষ্ট সময়সীমা এখনও নিশ্চিত হয়নি। বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ গত ২৬ জানুয়ারি 'নিরাপদ খাদ্য (প্যাকেটজাত খাদ্য লেবেলিং) প্রবিধানমালা, ২০২৬'-এর খসড়া প্রকাশ করে এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কাছ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মতামত আহ্বান করে। মতামত গ্রহণের পর কারিগরি ও প্রশাসনিক পর্যালোচনা শেষে মার্চে একটি সমন্বিত খসড়া প্রস্তুত করা হয়। পরে গত ৩০ জুন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ খসড়াটি বিবেচনার জন্য খাদ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠায়। এর মাধ্যমে প্রস্তাবিত এফওপিএল বিধানটি মন্ত্রণালয় পর্যায়ের পর্যালোচনায় প্রবেশ করে। তবে চূড়ান্ত রূপ, অনুমোদন ও গেজেট প্রকাশের সময়সীমা নিয়ে এখনও স্পষ্টতা নেই। সূত্র : সংবাদ বিজ্ঞপ্তি