ঢাকা বুধবার, ১২ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি বহুমুখীকরণের ওপর গুরুত্ব

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করতে রপ্তানি বহুমুখীকরণ, বাজারে প্রবেশাধিকার বৃদ্ধি ও বিনিয়োগ প্রবাহ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। গতকাল রাজধানীর একটি হোটেলে আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশ (অ্যামচ্যাম) আয়োজিত যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব জোরদারকরণ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান বাণিজ্য অংশীদার। দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেলেও রপ্তানি খাতে এখনও একমুখী নির্ভরতা বিদ্যমান। তৈরি পোশাক খাতের ওপর অতিনির্ভরতা ঝুঁকিপূর্ণ, উল্লেখ করে তিনি রপ্তানি পণ্যে বৈচিত্র্য আনার ওপর জোর দেন।

এ সময় বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, সরকার এরইমধ্যেই ওষুধশিল্প, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কৃষিপণ্য, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং ও তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে রপ্তানি ভিত্তি সম্প্রসারণে কাজ করছে। তরুণ ও দক্ষ জনশক্তির কারণে আইসিটি খাতে বাংলাদেশ দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, এলডিসি থেকে উত্তরণের প্রাক্কালে উন্নত বাজারে প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ উত্তরণের সময়সীমা তিন বছর বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে এবং ২০২৯ সালের নভেম্বরকে নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। একটি মসৃণ উত্তরণ নিশ্চিত করতে, তিনি যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতা কামনা করেন। বিনিয়োগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জ্বালানি খাতে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখলেও, সামগ্রিক সম্ভাবনার তুলনায় তা এখনও সীমিত। মন্ত্রী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগে (এফডিআই) ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের আস্থা আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ইঙ্গিত দেয়। প্রযুক্তি স্থানান্তর ও উদ্ভাবনের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল রূপান্তর ও আইসিটি খাতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার হতে পারে। বিশেষ করে আইসিটি, ফিনটেক, ই-কমার্স ও ডিজিটাল সেবায় সহযোগিতা বৃদ্ধির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অ্যামচ্যাম সভাপতি সৈয়দ এরশাদ আহমেদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত