ঢাকা বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার মান বাড়ল

ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার মান বাড়ল

ভারতীয় রুপির বিপরীতে গত দুই বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে শক্তিশালী হয়েছে বাংলাদেশি টাকা। এ সময়ে ভারতীয় মুদ্রার বিপরীতে টাকার মূল্য বেড়েছে ১১.৬ শতাংশ। এর মধ্যে গত এক বছরেই বেড়েছে ৭.৬ শতাংশ। বিনিময় হারসংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা সমান দাঁড়ায় প্রায় ০.৭৮ ভারতীয় রুপি। এক বছর আগে, ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এক টাকা সমান ছিল প্রায় ০.৭২ রুপি। আর ২০২৪ সালের একই দিনে এক টাকা সমান ছিল প্রায় ০.৭০ রুপি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার মূল্য বেড়েছে ৫.৫ পয়সা। এতে ভারতীয় মুদ্রার বিপরীতে টাকার ক্রয়ক্ষমতা বেড়েছে ৭.৬ শতাংশ।

বিপরীত হিসাবেও টাকার শক্তিশালী হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট। চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর এক ভারতীয় রুপির মূল্য দাঁড়ায় প্রায় ১.২৮ টাকা। এক বছর আগে এর মূল্য ছিল প্রায় ১.৩৮ টাকা। অর্থাৎ, এক ভারতীয় রুপি কিনতে এখন এক বছর আগের তুলনায় ৯.৭২ পয়সা কম টাকা প্রয়োজন হচ্ছে। এ হিসাবে টাকার মূল্য বেড়েছে ৭.১ শতাংশ।

২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এক ভারতীয় রুপির মূল্য ছিল ১.৪৩ টাকা। সেই সময়ের তুলনায় গত দুই বছরে রুপির বিপরীতে টাকার মূল্য বেড়েছে ১১.৬ শতাংশ। বিশেষ করে গত এক বছরের পরিবর্তনটি তাৎপর্যপূর্ণ। ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর যেখানে এক টাকা দিয়ে ০.৭২ রুপি পাওয়া যেত, সেখানে ২০২৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর পাওয়া যাচ্ছে ০.৭৮ রুপি। অর্থাৎ, এক বছরের ব্যবধানে ভারতীয় মুদ্রার বিপরীতে টাকার মূল্য বেড়েছে ৭.৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্যেও ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার এ শক্তিশালী অবস্থান অব্যাহত থাকার চিত্র পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২১ সেপ্টেম্বর ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার ক্রস রেট ছিল ১.২৭৮৯ টাকা থেকে ১.২৭৯৬ টাকা। অর্থাৎ, এক টাকার বিপরীতে পাওয়া গেছে ০.৭৮১ থেকে ০.৭৮২ ভারতীয় রুপি। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বলেন, ভারতীয় রুপির বিপরীতে টাকার শক্তিশালী অবস্থান বাংলাদেশ-ভারতের অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ভারত থেকে পণ্য আমদানিতে স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয় কমতে পারে। তিনি বলেন, টাকার মূল্য বাড়লে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের দাম, পরিবহন ব্যয় ও বাণিজ্যসংক্রান্ত অন্যান্য খরচ অপরিবর্তিত থাকলে একই পরিমাণ ভারতীয় পণ্য ও সেবা কিনতে বাংলাদেশি আমদানিকারকদের তুলনামূলক কম টাকা ব্যয় হবে। এর ফলে ভারতীয় পণ্য ও সেবা আমদানিতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা কিছুটা স্বস্তি পেতে পারেন। একই সঙ্গে ভারতে ভ্রমণকারী বাংলাদেশিদেরও স্থানীয় মুদ্রায় ব্যয়ের পরিমাণ কমতে পারে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত