ঢাকা বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ছোটবেলার গল্প শোনালেন নেইমার

ছোটবেলার গল্প শোনালেন নেইমার

বন্ধুদের সঙ্গে ঘুরতে যাওয়া কিংবা সিনেমা দেখা-কৈশোরে এমন অনেক কিছুই করতে পারেননি নেইমার। কারণটা আর কিছু নয়­­- ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন পূরণে এমন অনেক ভালো লাগার মুহূর্ত বিসর্জন দিতে হয়েছে আজকের এই ব্রাজিলিয়ান তারকাকে। অল্প বয়সেই বড় বড় ক্লাবের দৃষ্টি আকর্ষণ করা নেইমারের পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ার শুরু হয় ১৭ বছর বয়সে। সান্তোস হয়ে বার্সেলোনায় পাড়ি জমিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন সময়ের সেরাদের একজন। এরপর যোগ দেন পিএসজিতে, সেখানে অনেক শিরোপা জয় করেন তিনি।

নিজের ইউটিউব চ্যানেলে শৈশব আর কৈশোরের গল্প বলতে গিয়ে নেইমার জানালেন, ছোটবেলায় যখন বন্ধুরা হাসি আনন্দে মেতে থাকতো, তখন ফুটবলার হয়ে উঠতে কঠিন পরিশ্রম করতেন তিনি। ‘১৩ বা ১৪ বছর বয়সে আমি স্কুলের কোনো ভ্রমণে যাইনি, বন্ধুদের সঙ্গে সন্ধ্যায় সিনেমা দেখতে যাইনি। আমি আসলে যেতে পারিনি, কারণ পরদিন সকালে আমার অনুশীলন থাকতো।’ ‘মাঝেমধ্যে নিজেকে বলতাম : নাহ, অনেক হয়েছে, আমার সব স্কুলের বন্ধুরা আনন্দ করছে, আর এখানে আমি বাড়িতে বসে আছি। তবে তার একটা কারণ ছিল, উদ্দেশ্য ছিল এবং আমি সেটা বুঝতে পেরেছিলাম। (মাঝেমধ্যে) বিরক্ত হতাম ঠিকই, তবে পরদিন আমি খুব খুশি থাকতাম, কারণ তখন আমি ফুটবল খেলতাম।’

সেইসব ছোট ছোট আনন্দের মুহূর্তগুলো বিসর্জন দেওয়ার কারণেই সময়ের সঙ্গে ফুটবলের বড় তারকাদের একজন হয়ে ওঠেন নেইমার। পান কাড়ি কাড়ি অর্থ আর খ্যাতি। কিন্তু এখনও মাঝেমধ্যে তার মনে হয়, ফুটবল ছেড়ে যদি সাধারণ মানুষের মতো জীবনটা উপভোগ করতে পারতেন! ‘২০ বছর ধরে আমি এই পরিস্থিতিতে আছি। এটাই খেলোয়াড় হওয়ার প্রতিদান। এটা কঠিন। ব্রাজিলে যা আরও কঠিন, নিষ্ঠুর। এখানে (কোনোকিছু হলেই) আপনাকে সবাই তীব্র সমালোচনা করবে, বুঝতেই চাইবে না যে, আপনিও একজন সাধারণ মানুষ।’ ‘ঠিক আছে : সবকিছু মিলেই এটা খুব কঠিন।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত