
উপলক্ষ্যটি ছিল উৎসবের। অনেক প্রতীক্ষার পর অবশেষে যাত্রা শুরু ইন্টার মায়ামির নিজেদের স্টেডিয়ামের। ম্যাচ শুরুর আগে ফুটবলারদের গা গরমের সময়ই গ্যালারি প্রায় ভরে ওঠে। সেই দর্শকদের আনন্দে ভাসাতে লিওনেল মেসি সময় নেন মোটে ১০ মিনিট। নিজের নামে নামাঙ্কিত গ্যালারির সামনে গোল করেন তিনি হেড থেকে। পরে গোলের দেখা পান মায়ামির আরেক তারকা লুইস সুয়ারেসও। দুই তারকারও গোলও অবশ্য জয় এনে দিতে পারেনি ইন্টার মায়ামিকে। তবে উৎসবের দিনটি অন্তত হারের বিষাদেও রূপ নেয়নি। দুই দফায় পিছিয়ে পড়ে অস্টিন এফসির সঙ্গে ড্র করেছে তারা ২-২ গোলে।
ম্যাচের ৬১ শতাংশ সময় বল ছিল মায়ামির নিয়ন্ত্রণে। গোলে ১৯টি শট নেয় তারা। তবে লক্ষ্যে রাখতে পারে শুধু ৪টি। অস্টিন ৩টি শট লক্ষ্যে রেখেই কাজে লাগায় ২টি। এত দিন মায়ামি ঘরের মাঠ হিসেবে ব্যবহার করে আসছিল ফোর্ট লডারডেলের চেইস স্টেডিয়ামকে। ২০১৪ সাল থেকে মায়ামিতে ফুটবল স্টেডিয়াম তৈরির নানা উদ্যোগ নিয়ে আসছিলেন ক্লাবের কর্ণধারদের একজন ডেভিড বেকহ্যাম। কয়েক দফা সম্ভাব্য স্থান পরিবর্তন ও নানা প্রতিকূলতা পেরিয়ে ২০২২ সালে মায়ামি সিটি কাউন্সিলের অনুমতি পায় এই মাঠ। ২৬ হাজার ৭০০ দর্শক ধারণ ক্ষমতার নু স্টেডিয়ামের সেই পথচলা এবার শুরু হলো আনুষ্ঠানিকভাবে।
মাঠের প্রথম গোলটি অবশ্য মেসি করেননি। ম্যাচের ষষ্ঠ মিনিটে কর্নার থেকে হেডে গোল করে অস্টিনকে এগিয়ে দেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার গিলএয়ারমে বিরো। মিনিট চারেক পরই মেসির সেই গোল। জটলার মধ্যেও ফাঁকায় থেকে আলতো হেডে বল জালে জড়ান মায়ামি অধিনায়ক। বল মায়ামির কাছে বেশি থাকলেও বিপজ্জনক বেশি ছিল অস্টিন। প্রথমার্ধে দুই দফায় তাদের সামনে বাধা হয়ে দাঁড়ায় গোলপোস্ট। আরেকবার জোরালো পেনাল্টির দাবিতে সাড়া দেননি রেফারি। ৫৩তম মিনিটে আবার এগিয়ে যায় অস্টিন। সেখানে কিছুটা দায় আছে মেসির। বিরল এক দৃশ্যের জন্ম দিয়ে তার কাছ থেকে বল কেড়ে নিয়ে পাল্টা আক্রমণে ওঠে অস্টিন। সেটি থেকেই নিখুঁত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান জেডেন নেলসন। মেসি এরপর মরিয়া হয়ে ওঠেন।