ঢাকা শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

আজ লজ্জা এড়ানোর মিশন

আজ লজ্জা এড়ানোর মিশন

প্রথম দুই ম্যাচ হেরে ইতোমধ্যে জিম্বাবুয়ের কাছে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ হার নিশ্চিত হয়েছে সফরকারী বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ের কাছে এবার হোয়াইটওয়াশের শঙ্কায় পড়েছে টাইগাররা। প্রথম দুই ম্যাচের ব্যর্থতা ভুলে হোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে আগামীকাল সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডে খেলতে নামছে মেহেদি হাসান মিরাজের দল। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আজ দুপুর দেড়টায় সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একমাত্র টেস্টে ইনিংস ও ৮৫ রানের বড় ব্যবধানে হেরে জিম্বাবুয়ে সফর শুরু করে বাংলাদেশ। তবে ওয়ানডে সিরিজে স্পষ্টভাবে ফেভারিট ছিল টাইগাররা। কারণ ওয়ানডে ফরম্যাটে নিজেদের সর্বশেষ চার সিরিজের সবগুলোই জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০২৫ সালের অক্টোবরে আফগানিস্তানের কাছে হারের পর টানা চার সিরিজ জিতে নেয় বাংলাদেশ। ওয়েস্ট ইন্ডিজ, পাকিস্তান, নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজে জয় পায় টাইগাররা। তবে সবগুলোই ঘরের মাটিতে জিতেছিল মিরাজ-হৃদয়রা। কিন্তু জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই হেরে যায় বাংলাদেশ। মাত্র ১৪১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ব্যাটিং ব্যর্থতায় ১১৬ রানে অলআউট হয় টাইগাররা। ২৫ রানে ম্যাচ হেরে সিরিজ শুরু করে সফরকারীরা। দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের সুযোগ হাতছাড়া করে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের ২৪৭ রানের জবাবে ৫ উইকেটে ২০৭ রান তুলে জয়ের পথেই ছিল টাইগাররা। কিন্তু ২৭ রানে শেষ ৫ উইকেট পতনে ৪৮.১ ওভারে ২৩৪ রানে অলআউট হয়ে ম্যাচ ও সিরিজ হারে বাংলাদেশ। এই নিয়ে টানা দ্বিতীয়বার জিম্বাবুয়ের কাছে ওয়ানডে সিরিজ হারে টাইগাররা। ২০২২ সালে সর্বশেষ তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ ২-১ ব্যবধানে হেরেছিল বাংলাদেশ। সিরিজ হারের জন্য ইনিংসের শেষ দিকে জুটি গড়তে না পারার ব্যর্থতাকে দুষেছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মিরাজ। দ্বিতীয় ম্যাচ শেষে মিরাজ বলেন, ‘উইকেট ভালো ছিল এবং ২৪৮ রানও বেশ ভালো স্কোর। আমাদের ইনিংসে খুব ভালোভাবে বল ব্যাটে আসছিল। আমরা যদি (শেষের দিকে) ভালো কোনো জুটি গড়তে পারতাম, তবে আরও ভালো হতো। আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের আরও ভালো খেলা সম্ভব ছিল। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে আমরা কোনো জুটি গড়তে পারিনি।’ ওয়ানডে ইতিহাসে দুই বার জিম্বাবুয়ের কাছে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় বাংলাদেশ। ২০০১ সালের এপ্রিলে জিম্বাবুয়ের মাটিতে এবং একই বছর নভেম্বরে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয় টাইগাররা। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে জিম্বাবুয়ের সফরে শেষ ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি সিরিজে খেলতে পারবেন না বাংলাদেশের বাঁ-হাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমান। তার বদলি হিসেবে ওয়ানডে সিরিজে পেস বোলিং অলরাউন্ডার মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন এবং টি-টোয়েন্টি সিরিজের দলে সুযোগ পেয়েছেন তাসকিন আহমেদ।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত