
কোনো টুর্নামেন্ট বা লম্বা সিরিজের আগে ক্যাম্প করে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। ক্যাম্পের শুরুতে ফিটনেস ট্রেনিং করতে ক্রিকেটারদের মিরপুর থেকে যেতে হয় গুলিস্তানে ঢাকা জাতীয় স্টেডিয়ামে। তবে এবার জাতীয় স্টেডিয়ামে দৌড়ানোর ইতি টানা হচ্ছে। ফিটনেস ক্যাম্পের সবচেয়ে বড় প্রয়োজনীয় উপাদান অ্যাথলেটিক টার্ফ বানাতে যাচ্ছে বিসিবি। মিরপুর একাডেমি মাঠে তৈরি করা হচ্ছে প্রায় ১২০ মিটার দীর্ঘ একটি অ্যাথলেটিক টার্ফ। এরইমধ্যে টার্ফ বসানোর জায়গা পরিদর্শন করেছেন বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবালসহ সংশ্লিষ্টরা।
নতুন এই অ্যাথলেটিক টার্ফের মূল উদ্দেশ্য, ক্রিকেটারদের রানিং ও ফিটনেস ট্রেনিংয়ের জন্য একটি নির্দিষ্ট ও উন্নত পরিবেশ তৈরি করা। বর্তমানে বিভিন্ন সময়ে ফিটনেস টেস্ট কিংবা রানিং সেশনের জন্য ক্রিকেটারদের অন্য মাঠ বা সুবিধা ব্যবহার করতে হয়। নতুন টার্ফ চালু হলে সেই প্রয়োজন অনেকটাই কমে আসবে। প্রায় ১২০ মিটার দীর্ঘ এই টার্ফে ক্রিকেটাররা নিয়মিত রানিং, স্প্রিন্টসহ বিভিন্ন ধরনের ফিটনেস অনুশীলন করতে পারবেন। পাশাপাশি ফিটনেস টেস্টেও এটি ব্যবহার করা যাবে। বিসিবির এই উদ্যোগে একাডেমি মাঠের ব্যবহারও আরও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। জাতীয় দল, হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দলসহ বয়সভিত্তিক পর্যায়ের ক্রিকেটারদের ফিটনেস উন্নয়নেও কাজে আসবে এই সুবিধা।
ফলে ক্রিকেটারদের মাঠ ও জিমনেশিয়ামের ওপর নির্ভরতা কিছুটা কমিয়ে একাডেমি প্রাঙ্গণেই নিয়মিত ফিটনেস কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ তৈরি হবে। নতুন এই অ্যাথলেটিক টার্ফকে দেশের ক্রিকেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নের আরেকটি পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে বিসিবি। বিসিবি গ্রাউন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান শানিয়ান তানিম এ প্রসঙ্গে বলেন, 'এখনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি। তবে আমরা এর কার্যক্রম ও ভবিষ্যত নিয়ে আলোচনা করছি। দেখা যাক কি হয়।' যদিও বিসিবির আরেকটি সূত্র জাগো নিউজকে জানিয়েছে, কার্যত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে। এখন শুধু আনুষ্ঠানিতাই বাকি।