
একজন ছিলেন মৌসুমের শুরু থেকে, আরেকজন যোগ দিয়েছেন শেষদিকে। কিন্তু দুজনের হাতেই যেন বদলে গেছে কেন্টের ভাগ্য। বাংলাদেশের দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও সৈয়দ খালেদ আহমেদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম বিভাগে ফিরেছে কেন্ট। প্রথমবারের মতো ইংলিশ কাউন্টিতে খেলতে নেমে বাংলাদেশের দুই পেসার দলের সাফল্যের অন্যতম নায়ক হয়ে উঠেছেন। কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় বিভাগের শেষ রাউন্ডের ম্যাচ শেষ হওয়ার পর দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে কেন্ট। তাতেই এক মৌসুম পর আবারও শীর্ষ বিভাগে ফেরার সুযোগ পেয়েছে দলটি। গত মৌসুমে দ্বিতীয় বিভাগের পয়েন্ট তালিকায় সবার নিচে থাকা কেন্টের এমন ঘুরে দাঁড়ানোর পেছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল হাসান ও খালেদের।
মাত্র সাত ম্যাচে বাংলাদেশের দুই পেসার মিলে নিয়েছেন ৪২ উইকেট। মৌসুমের শেষদিকে তাদের দারুণ বোলিং কেন্টকে প্রথম বিভাগে ফেরার দৌড়ে বড় সুবিধা করে দেয়। হাসান ছিলেন কেন্টের শেষদিকের লড়াইয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। জাতীয় দলের দায়িত্বে ফেরার আগে মাত্র চার ম্যাচে নিয়েছেন ২৬ উইকেট। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স কেন্টের প্রমোশনের লড়াইয়ে বড় প্রভাব ফেলেছে। অপর দিকে মৌসুমের শেষদিকে কেন্টে যোগ দেন খালেদ। দলে এসেই নিজের সামর্থ্যের জানান দেন ডানহাতি এই পেসার। তিন ম্যাচে তার শিকার ১৬ উইকেট। এর মধ্যে ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে কেন্টের সাত উইকেটের জয়ে একাই আট উইকেট নিয়ে ম্যাচসেরা পারফরম্যান্স উপহার দেন তিনি।
ল্যাঙ্কাশায়ারের বিপক্ষে খালেদের সেই বোলিং কেন্টকে প্রমোশনের দৌড়ে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যায়। এরপর মৌসুমের শেষ ম্যাচেও নিজের ধারাবাহিকতা ধরে রাখেন বাংলাদেশের এই পেসার।গ্লুচেস্টারশায়ারের বিপক্ষে ম্যাচের দুই ইনিংস মিলিয়ে নেন পাঁচ উইকেট। ওই ম্যাচে কেন্ট জয় পায় আট উইকেটে। শেষ পর্যন্ত নর্দাম্পটনশায়ার হেরে যাওয়ায় কেন্টের শীর্ষ বিভাগে ফেরা নিশ্চিত হয়। মিডলসেক্সের কাছে নর্দাম্পটনশায়ার হেরে যাওয়ায় কেন্ট দ্বিতীয় বিভাগের আট দলের পয়েন্ট তালিকায় দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করে। ১৪ ম্যাচে কেন্টের পয়েন্ট ১৯৮। আর নর্দাম্পটনশায়ারের পয়েন্ট ১৯১। ফলে এক মৌসুম পরই ইংলিশ কাউন্টির শীর্ষ বিভাগে ফেরার টিকিট পেয়ে যায় কেন্ট।