ঢাকা শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ধবল ধোলাইয়েও প্রাপ্তি দেখছেন জ্যোতি

ধবল ধোলাইয়েও প্রাপ্তি দেখছেন জ্যোতি

সিরিজে বাংলাদেশ ধবল ধোলাই! ওয়ানডে সিরিজ দল হেরেছে ০-৩ ব্যবধানে। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে কোনো জয়ই পায়নি নিগার সুলতানা জ্যোতির দল। তবে সিরিজের ফলাফল দিয়ে পুরো সফরের মূল্যায়ন করতে রাজি নন বাংলাদেশ অধিনায়ক। তার চোখে এই সফরের বড় প্রাপ্তি অভিজ্ঞতা অর্জন এবং নতুন ক্রিকেটারদের সামর্থ্যের প্রমাণ দেওয়া। ব্রিসবেনের অ্যালান বোর্ডার ফিল্ডে সিরিজের শেষ ওয়ানডেতেও আট উইকেটে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমে ব্যাট করে ৪৯.৫ ওভারে ১৭২ রানে গুটিয়ে যায় দল। জবাবে মাত্র ২২.৪ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় অস্ট্রেলিয়া। শেষ ম্যাচে শারমিন আক্তার ও স্বর্ণা আক্তারের অর্ধশতকও বড় পরাজয় ঠেকাতে পারেনি। তবে তিন ম্যাচের সিরিজে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ে সবচেয়ে বড় আলো ছিলেন সোবহানা মোস্তারি। দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ১১৮ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন তিনি। নারী ওয়ানডেতে বাংলাদেশের কোনো ব্যাটারের এটাই সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস। একই সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ওয়ানডেতে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম ক্রিকেটারও সোবহানা। ওই ম্যাচে অধিনায়ক জ্যোতির সঙ্গে তার ১৯৫ রানের জুটিও গড়েছে নতুন রেকর্ড। শুরুতে কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া বাংলাদেশকে ম্যাচে ফিরিয়েছিল এই জুটি। সিরিজে জয় না এলেও এমন পারফরম্যান্সকে ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ মনে করছেন জ্যোতি। সফরের অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, 'প্রতিটি ম্যাচেই দলের কোনো না কোনো খেলোয়াড় এগিয়ে এসেছে। এখান থেকে আমরা অনেক ইতিবাচক দিক পেয়েছি, যা ভবিষ্যতে কাজে লাগাব। এই সিরিজ থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে।' সোবহানার রেকর্ড গড়া ইনিংসের পাশাপাশি তরুণ ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সও জ্যোতির আশাবাদের কারণ। অস্ট্রেলিয়া সফরে বাংলাদেশের হয়ে ওয়ানডে অভিষেক হয়েছে দুই তরুণ পেসার হাবিবা ইসলাম ও দিশা বিশ্বাসের। প্রথম ম্যাচে অভিষিক্ত হাবিবা ছয় ওভারে ৩৬ রান দিয়ে নিয়েছেন দুটি উইকেট। তার শিকার ছিলেন জর্জিয়া ভল ও বেথ মুনি। অন্যদিকে সিরিজের শেষ ম্যাচে অভিষেক হয় দিশার। নিজের প্রথম ওয়ানডেতেই অভিজ্ঞ অস্ট্রেলীয় ব্যাটার বেথ মুনির উইকেট তুলে নেন তিনি। মুনির ক্যারিয়ারের শততম ওয়ানডেতে এমন সাফল্য তরুণ পেসারের জন্য ছিল উল্লেখযোগ্য অর্জন। নতুনদের পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট জ্যোতি। অস্ট্রেলিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে অভিষেকের চাপ সামলানো সহজ ছিল না বলেও মনে করেন তিনি। বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, 'আমরা কয়েকজন তরুণ খেলোয়াড়কে ভালো করতে দেখেছি। আমাদের দুজনের অভিষেকও হয়েছে। তাদের জন্য চ্যালেঞ্জটা কঠিন ছিল, তবে মাঠে তারা নিজেদের শতভাগ দিয়েছে।'

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত