ঢাকা সোমবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

৩৫০ রানও তাড়া করা সম্ভব জানালেন তাওহীদ হৃদয়

৩৫০ রানও তাড়া করা সম্ভব জানালেন তাওহীদ হৃদয়

ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিলেট টেস্টের শেষ দিনে ৩৫০ রানের লক্ষ্য তাড়া করা সম্ভব বলে মনে করেন তাওহীদ হৃদয়। সিলেটে দ্বিতীয় টেস্টের চতুর্থ দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৪৫ রান। তাতে তাদের লিড দাঁড়িয়েছে ৩১৫ রানে। কাভেম হজ ১৪০ রানে অপরাজিত আছেন, সঙ্গে আমির জাঙ্গু ২০ রানে ব্যাট করছেন। শেষ দিনে কখন ও কত রানের লক্ষ্য দিয়ে ক্যারিবীয়রা ইনিংস ঘোষণা করে, সেটির ওপর নির্ভর করছে বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জ।

প্রথম ইনিংসে অপরাজিত ২৪২ রান করে ম্যাচে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ স্কোরার হওয়া হৃদয়ের বিশ্বাস, উইকেট এখনও ব্যাটিংয়ের জন্য ভালো। তাই শেষ দিনে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেখছেন তিনি। গতকাল রোববার সংবাদ সম্মেলনে হৃদয় বলেছেন, দেখুন, এটা নির্ভর করবে আমরা কীভাবে শুরু করি তার ওপর। উইকেট এখনও ভালো। আমরা যদি শুরুটা ভালো করতে পারি, তাহলে আমার মনে হয় রান তাড়া করা সম্ভব। তবে আগামীকাল (আজ) কী হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তারা কত রানের লক্ষ্য দেয়, সেটা দেখে আমাদের পরিকল্পনা করতে হবে। তিনি আরও বলেন, এখন পর্যন্ত উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য সহায়ক। পঞ্চম দিন অবশ্যই খুব গুরুত্বপূর্ণ।

আমার মনে হয়, আগেও যেমন বলেছি, শুরুটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। যদি ভালো শুরু করতে পারি, তাহলে আমার বিশ্বাস ৩৫০ রানও তাড়া করা সম্ভব। তবে বারবারই বলছি, শুরুটা ভালো হওয়া জরুরি। সমালোচনা নিয়েও নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন হৃদয়। তার মতে, পেশাদার খেলোয়াড়ের জীবনে প্রশংসা ও সমালোচনা দুটোই থাকবে। তাই সমালোচনায় বিচলিত না হয়ে সেখান থেকে শেখার চেষ্টা করেন তিনি।

ঢাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে প্রথম টেস্টের পর হৃদয়ের টেস্ট দলে জায়গা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। দু'টি আউট হওয়ার ক্ষেত্রে তার শট নির্বাচন নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল, দীর্ঘ সংস্করণের ক্রিকেটে তিনি কতটা উপযুক্ত, তা নিয়েও উঠেছিল প্রশ্ন। সিলেটে ব্যাট হাতে সেই সমালোচনার জবাব দিয়েছেন হৃদয়। ২৪২ রানের অপরাজিত ইনিংসে বিপর্যস্ত অবস্থা থেকে বাংলাদেশকে উদ্ধার করে প্রথম ইনিংসে লিড এনে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি।

হৃদয় বলেন, প্রথমেই আল্লাহর কাছে শুকরিয়া জানাতে চাই, আমি দলের জন্য অবদান রাখতে পেরেছি। সমালোচনা থাকবেই। আপনার পেশা কিংবা যেকোনো পেশাতেই সমালোচনা থাকবে। যেদিন আমরা ভালো করি, আপনারাই আমাদের হয়ে কথা বলেন, ইতিবাচকভাবে তুলে ধরেন। আবার যেদিন খারাপ করি, আপনারাই সমালোচনা করবেন। এটাই স্বাভাবিক। আমার মনে হয়, সঠিকভাবে চিন্তা করলে সমালোচনা থেকেও অনেক কিছু শেখার আছে। টেস্টে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের মালিক হতে গিয়ে মুশফিকুর রহিমকে ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা একবারও ভাবেননি হৃদয়। তার কাছে দলের অবস্থান ভালো করাই ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, এটা হয়তো আমার ভাগ্যে ছিল। আমি আসলে ভাবিনি কাকে ছাড়িয়ে যাচ্ছি কিংবা কী হতে যাচ্ছে। ওই পরিস্থিতিতে আমার মনে হয়েছে, দলের জন্য যতটা সম্ভব লড়াই করতে হবে, দলকে ভালো অবস্থানে নিতে হবে। সেটাই চেষ্টা করেছি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত