ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

সুফিকোষ

খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রহ.)

খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা (রহ.)

প্রেমই খোদা প্রাপ্তির প্রধান উপকরণ

আঁ-হজরত (দ:) প্রেমিক-প্রবর হজরত আলী (রা:) কে মারেফতের তরতীব খাছভাবে শিক্ষা দিয়াছিলেন এবং হজরত আলী (র:) হইতে ছেলছেলাক্রমে হজরত পীরাণপীর এবং হজরত পীরাণপীর হইতে পীর মুর্শিদ তক্ শিক্ষা জারী হইয়াছে। তাঁহা হইতে আঁ-হজরত (দ:) তক এবং তাঁহা হইতে খোদা তক পৌঁছান যায়। ইহার অর্থ এই নয় যে, সারা জীবনটী ধরিয়া এই ক্রম অতিক্রম করিতে হয়, বরং প্রেমিক যুগপৎ প্রেমময় তক পৌঁছাইতে পারে আঁ-হজরতের মধ্যবর্ত্তিতায়। প্রেম একটি সেতু স্বরূপ, যাহার এক প্রান্তে প্রেমময় ও অপর প্রান্তে প্রেমিক। প্রেম-রজ্জু দৃঢ়রূপে পাকড়াও করিলে পীরের সাহায্যে আঁ-হজরত ও আঁ-হজরত (দ:)-এর সাহায্যে খোদা তক্্ পৌঁছাইতে পারে, কিন্তু সকলের মূলে চাই নিষ্কলুষ প্রেম!

খান বাহাদুর আহছানউল্লা (রহ.)-এর বাণী : ১. আয়াস, বাবুগিরি, অলসতা, কুসঙ্গ হইতে সর্ব্বদা দূরে দূরে থাকিবে। ২. বান্দা হইয়া যদি বন্দেগী করিতে না পারি, তবে এ জীবনের আবশ্যকতা কি? ৩. চরিত্রই প্রধান এবাদত। ৪. যেখানে আমিত্ব বিদ্যমান সেখানে কৃতকার্য্য সময়সাপেক্ষ। ৫. দুঃখের নিঃশ্বাস ত্যাগ করিবে না। ৬. খোদার উপর ও তাঁর হাবিবের উপর অটল ভক্তি রাখবে। ৭. ব্যয়কে পরিমিত করিবে।

(খান বাহাদুর (রহ.)-এর বানান হুবহু রাখা হয়েছে)।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত