
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে পদ্মা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে ১০ জনকে আটক করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় একটি বৃহদাকারের খননযন্ত্র ও বালু পরিবহনে ব্যবহৃত দুটি বাল্কহেড জব্দ করা হয়। পরে আটককৃত প্রত্যেককে তিন মাস করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
সোমবার (২০ এপ্রিল) দিনগত রাত সোয়া ১২টা থেকে ভোর সাড়ে ৪টা পর্যন্ত গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া ইউনিয়নের কলাবাগান এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মুনতাসির হাসান খান।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— গোয়ালন্দ উপজেলার বড় মসজিদপাড়া গ্রামের জবাই মণ্ডলের ছেলে মো. আনু মণ্ডল (৩০), দৌলতদিয়া সাত্তার মেম্বারপাড়া গ্রামের মনছের শেখের ছেলে মো. শাহিন শেখ (৩০), বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার জালির চর গ্রামের রফিজউদ্দিন বেপারীর ছেলে মো. নিজাম বেপারী (৪৫), পটুয়াখালী সদর উপজেলার পূর্ব জনকাঠি গ্রামের সানু ফকিরের ছেলে মো. জাকারিয়া ফকির (১৮), একই উপজেলার পশ্চিম হাতালিয়া গ্রামের নজরুল শিকদারের ছেলে মো. সাইদুল শিকদার (২৪), পিরোজপুরের ইন্দুরকান্দি উপজেলার চর ধলেশ্বর গ্রামের জাকির হাওলাদারের ছেলে মো. রাকিব হাওলাদার (১৮), মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার চর জানাজাত গ্রামের আব্দুর রব মাতুব্বারের ছেলে আবুল কালাম (৪২), বরগুনার বামনা উপজেলার পূর্ব বলবনিয়া গ্রামের মোতালেবের ছেলে মো. ইয়াছিন (১৮), একই উপজেলার বলয়বনিয়া গ্রামের আ. হালিম আকনের ছেলে মো. শাকিল আকন (১৮) এবং ঢাকার দোহার উপজেলার উত্তর সিমিলা গ্রামের জামাল শেখের ছেলে মো. মিজান শেখ (৪৫)।
গোয়ালন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাথী দাস বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আটককৃতদের বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর ধারা ৪ লঙ্ঘনের দায়ে একই আইনের ১৫ ধারা অনুযায়ী তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, জব্দকৃত কাটার ও ক্যারিং বডি দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির হেফাজতে রাখা হয়েছে। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।