ঢাকা মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ভেঙে পড়েছে মোবাইল ফোনের টাওয়ার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ের আঘাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) সকালে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড় জেলার সীমান্তবর্তী কসবা উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে আঘাত হানে।

ঝড়ে অন্তত ৩০টি বাড়িঘর আংশিক ক্ষতিগ্রস্তসহ তিন শতাধিক গাছপালা ভেঙে যায়। এছাড়াও উপজেলার তিন লাখ পীর এলাকায় একটি মোবাইল ফোনের টাওয়ার দুমড়ে-মুচড়ে ভেঙে পড়ে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সকালে পুরো আকাশ কালো হয়ে তীব্র বেগে বাতাস শুরু হয়। সেই সাথে প্রবল বৃষ্টিপাত হতে থাকে। ঝড়ের সময় কসবা উপজেলার তিনলাখ পীর, শিকারপুর, বাদৈর, মূলগ্রাম, মইনপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে অন্তত ত্রিশটি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ঝড়ে অনেক গাছপালা উপড়ে সড়কের পাশে বাড়িঘর ও কয়েকটি মসজিদ-মাদরাসার উপর আছড়ে পড়ে। এছাড়াও বাতাসের তীব্র গতিতে অনেক বাড়িঘরের চালা উড়ে যায়। এ সময় বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এ সময় সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ছামিউল ইসলাম জানান, ঝড়ে ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চলমান রয়েছে। তবে প্রাথমিকভাবে ৩০টি বাড়িঘর ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বিভিন্ন স্থানে গাছপালা ও বৈদ্যুতিক খুঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিভিন্ন সড়কের উপর থেকে গাছপালা সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা প্রণয়ন করে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, সকাল থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। এ সময় এসএসসি পরীক্ষার্থীসহ চলাচলকারীরা সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েন।

ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে প্রতিবছরই বৃষ্টিপাত হলে জলাবদ্ধতা দেখা দেয়। তারা এ সমস্যার সমাধানে পৌর কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া,কালবৈশাখী ঝড়,মোবাইল টাওয়ার
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত