
কালবৈশাখী ঝড়ে টানা চারদিনের ভারী বৃষ্টির ফলে মির্জাগঞ্জে মুগ ডালের ক্ষেতে গোড়ায় পানি জমে রয়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। কৃষক-কৃষানিরা কর্দমাক্ত মাটি ও পানির মধ্য ফসল তুলতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন।
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, এ বছর উপজেলায় মুগডাল চাষির সংখ্যা অনেক বেশি। উপজেলায় ৫ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে মুগ ডাল চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল। তবে কৃষি বিভাগের পরামর্শে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার ২৮০ হেক্টর জমিতে মুগ ডালের চাষ করতে পেরেছেন কৃষকেরা।
উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ময়দা গ্রামের কৃষক বিজয় শীল জানান, প্রায় এক একর জমিতে মুগ ডালের আবাদ করেছি। কিন্তু গত চারদিনের কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টির পানিতে ক্ষেতের ফসল তলিয়ে গেছে। জমে থাকা পানিতে ফসল নষ্ট হয়ে গাছ শুকিয়ে যাচ্ছে।
দেউলী সুবিদখালী ইউনিয়নে চতরা গ্রামের কৃষক মো. দুলাল পেঁদা বলেন, কৃষি বিভাগ থেকে বিনামূল্যে সার ও বীজ পেয়ে এ বছর ৩০ শতাংশ জমিতে মুগ ডালের চাষ করি। ফসল তোলার আগেই বৃষ্টির পানি জমে গাছগুলো মরে যাচ্ছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, দুদিনের ভারী বর্ষণে পানি জমে মুগ ডাল ক্ষেতের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবে পানি দ্রুত শুকিয়ে গেলে নিচু জমি ছাড়া উঁচু জমির ফসলের তেমন ক্ষতি হবে না।