
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) তেপান্তর সাহিত্য সভার আয়োজনে মাসব্যাপী লিখন প্রশিক্ষণ কর্মশালার সনদ বিতরণী অনুষ্ঠান ও বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান অনুষদের কনফারেন্স কক্ষে এ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শামীম উদ্দিন খান বলেন, শিক্ষার্থীদের লেখালেখির হাতেখড়ি গড়ে তুলতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর বর্তমান সময়ে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ লিখনশৈলী আয়ত্ত করা জরুরি। একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশে লিখন দক্ষতার বিকল্প নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, পাঠককে আকৃষ্ট করতে পারে এমন মানসম্মত লেখা চর্চার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং এ ধরনের কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মো. কামাল উদ্দিন বলেন, লেখালেখির অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। শুধু কথা বললেই হবে না, চিন্তাকে লেখার মাধ্যমে প্রকাশ করার দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তিনি বলেন, লেখালেখির একটি নির্দিষ্ট নীতিমালা রয়েছে, যা জানা ও অনুশীলনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।
সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াদ উদ্দিনের সঞ্চালনায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন দর্শন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. শিরিন আকতার, ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. তাকিত মল্লিক এবং প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক ড. মুমিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি আবদুল মুমিন।
অনুষ্ঠানে অতিথিরা প্রশিক্ষণার্থীদের হাতে সনদ তুলে দেন। মাসব্যাপী এ কর্মশালায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল লিখন, সংবাদ প্রতিবেদন রচনা এবং সাহিত্যিক শৈলীর বিভিন্ন বিষয়ে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
এজিএমে সংগঠনের বিগত বছরের কার্যক্রম পর্যালোচনা করা হয় এবং আগামী বছরের নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষক, আমন্ত্রিত অতিথি, তেপান্তর সাহিত্য সভার নেতৃবৃন্দ, সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।