ঢাকা শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

নকলার ১০৩ ঈদগাহ ময়দানে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল আজহার জামাত

নকলার ১০৩ ঈদগাহ ময়দানে শান্তিপূর্ণভাবে ঈদুল আজহার জামাত

শেরপুরের নকলা উপজেলার ১০৩টি ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৮ মে (বৃহস্পতিবার) সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টার মধ্যে এসব জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া নকলা পৌরসভার চরকৈয়া এলাকায় ২৭ মে (বুধবার) ঈদুল আজহার আগাম জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

ইসলামিক ফাউন্ডেশন নকলা উপজেলার সুপারভাইজার মো. ছাইদুল ইসলাম জানান, ২৮ মে বৃহস্পতিবার উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অন্তত ১০৩টি ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়।

তিনি আরও জানান, বৈরী আবহাওয়া তথা বৃষ্টির কারণে কিছু কিছু এলাকার মসজিদেও ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা ইসলামী ফাউন্ডেশনের মাঠ পরিদর্শক (কেয়ারটেকার) বেলায়েত হোসেনের দেওয়া তথ্য ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় ১০৩টি ঈদগাহ ময়দানের মধ্যে পৌরসভায় ১৪টি, ১নং গণপদ্দী ইউনিয়নে ১০টি, নকলা ইউনিয়নে ৯টি, উরফা ইউনিয়নে ১৫টি, গৌড়দ্বার ইউনিয়নে ১১টি, বানেশ্বরদী ইউনিয়নে পূর্ব খন্দকারপাড়া ঈদগাহ মাঠসহ মোট ৭টি, পাঠাকাটা ইউনিয়নে ৮টি, টালকী ইউনিয়নে ১৩টি, চরঅষ্টধর ইউনিয়নে ৮টি এবং ৯নং চন্দ্রকোনা ইউনিয়নে ৮টি ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজের জামাত সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টার মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

পূর্ব খন্দকারপাড়া ঈদগাহ মাঠ পরিচালনা কমিটির সভাপতি আলহাজ মো. ছায়েদুল হক বলেন, “আমাদের মাঠে বিভিন্ন এলাকার বিভিন্ন বয়স ও সব পেশা-শ্রেণির অগণিত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি সকল বিভেদ ভুলে সকাল ১০টার সময় একই সামিয়ানার নিচে একসঙ্গে জামাতের সঙ্গে সুষ্ঠুভাবে ঈদের নামাজ আদায় করেছেন।”

মাঠ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. লিয়াকত আলী বলেন, “আমরা পূর্বপুরুষ থেকে উপজেলার সর্ববৃহৎ চিথলিয়া ঈদগাহ মাঠে ঈদের নামাজ আদায় করতাম। কিন্তু দূরত্ব বিবেচনায় আমাদের এলাকাবাসীর সর্বসম্মতিক্রমে ২০২৪ সাল থেকে পূর্ব খন্দকারপাড়া হাজীবাড়ি জামে মসজিদ ও পূর্ব খন্দকারপাড়া হাজীবাড়ি সার্বজনীন কবরস্থান-সংলগ্ন পূর্ব খন্দকারপাড়া ঈদগাহ মাঠে পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করে আসছি।” তিনি জানান, এ মাঠে প্রতি বছর মুসল্লির সংখ্যা বাড়ছে।

শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনের এমপি প্রকৌশলী মোহাম্মদ ফাহিদ চৌধুরী নকলা ও নালিতাবাড়ী উপজেলাবাসীসহ দেশ-বিদেশের সকল ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “নকলা ও নালিতাবাড়ীর মানুষ খুবই শান্তিপ্রিয়। এখানকার যেকোনো উৎসবে সবার ভ্রাতৃত্বপূর্ণ অংশগ্রহণ মুগ্ধ করার মতো। যেকোনো ধর্মের বৃহৎ উৎসবে আজ পর্যন্ত কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির নজির নেই।”

এদিকে বিভিন্ন পেশা-শ্রেণির মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে প্রস্তুতি সভা আয়োজনসহ উপজেলার প্রতিটি ঈদগাহ মাঠের নিরাপত্তার জন্য আগাম প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম।

ঈদুল আজহার জামাত,১০৩ ঈদগাহ ময়দান,নকলা
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত