
সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীর পানি ক্রমাগতভাবে বাড়ছে। সেইসঙ্গে চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতোমধ্যেই অনেক জায়গার জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এ ভাঙন রোধে জরুরি ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ২৮ সেন্টিমিটার বেড়েছে। স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী (হেডকোয়ার্টার) নাজমুল হোসাইন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, প্রায় এক সপ্তাহ ধরে দফায় দফায় প্রবল বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে সিরাজগঞ্জের কাছে যমুনা নদীর পানি বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে ১৫ এবং কাজিপুর পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার পানি বেড়েছে। এতে যমুনা নদীর নিম্নাঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বর্ষণ ও পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় যমুনা নদীর চরাঞ্চলের বেশ কয়েকটি স্থানে ভাঙন শুরু হয়েছে। বিশেষ করে চৌহালী ও কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে এ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তবে চৌহালী উপজেলার চর সলিমাবাদ এলাকায় ভাঙনে প্রায় ১শ’ মিটার যমুনার তীর সংরক্ষণ বাঁধ ইতোমধ্যেই ভেঙে গেছে। এ ভাঙন রোধে স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে।
এছাড়া কাজিপুর উপজেলার চরাঞ্চলের ভাঙনে অনেক জায়গার জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। যমুনায় পানি বৃদ্ধি, ঢেউ, স্রোত ও নদীর তলদেশে ঘূর্ণাবর্তের কারণে এ ভাঙন দেখা দিয়েছে।
এদিকে যমুনার তীরবর্তী শাহজাদপুর, কাজিপুর, বেলকুচি, চৌহালী ও সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চরাঞ্চলের বিভিন্ন স্থানেও ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙনে ইতোমধ্যেই বহু জায়গার জমি যমুনাগর্ভে বিলীন হয়েছে।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, পাহাড়ি ঢল ও দফায় দফায় বর্ষণে যমুনার পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে চরাঞ্চলের অনেক স্থানে ভাঙনও দেখা দিয়েছে এবং চৌহালীর ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড কাজ করছে। তবে বন্যার আশঙ্কা নেই বলে তিনি উল্লেখ করেন।