ঢাকা সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

প্রাথমিকের ঝরে পড়া শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চাই: ববি হাজ্জাজ

প্রাথমিকের ঝরে পড়া শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চাই: ববি হাজ্জাজ

দেশের এক কোটি ১০ লাখ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে আগামী বছর স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে। আমরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ঝরে পড়ার হার শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনতে চাই। পড়াশোনায় ঝরে পড়া শিশু আর দেশে থাকবে না।

সোমবার দুপুরে দিনাজপুর শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ শীর্ষক প্রকল্পের কার্যক্রম সম্পর্কে ওরিয়েন্টেশন কর্মশালা ও প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেন, স্কুল ফিডিংয়ে যারা নিম্নমানের খাবার পরিবেশন ও কোনো অনিয়ম করবে, তাদেরকে খাবার সরবরাহের তালিকা থেকে তাৎক্ষণিক বাদ দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই দেশের সকল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে স্কুল ফিডিং কর্মসূচি চালু করা হবে।

আগামী ২০২৮ সালের মধ্যে দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে একটি সমন্বিত সরকারি মনিটরিং কাঠামোর আওতায় আনা হবে।

আগামী বছর থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পরীক্ষামূলকভাবে ‘সায়েন্স টয়’ কার্যক্রম চালু করা হবে এবং শিশুদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের জন্য ৮টি ক্রীড়া কার্যক্রম বাধ্যতামূলক করা হবে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘প্রক্সি শিক্ষক’ দিয়ে পাঠদান করানোর অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মো. রফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) মোহাম্মদ কামরুল হাসান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফিডিং কর্মসূচির প্রকল্প পরিচালক (যুগ্মসচিব) মো. আবুল আমিন, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (বাজেট ও অডিট) মিজ ইসরাত জাহান, পুলিশ সুপার মো. জেদান আল মুসা ও জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি অ্যাডভোকেট মো. মোফাজ্জল হোসেন দুলালসহ প্রমুখ।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক শিক্ষা রংপুরের বিভাগীয় উপ-পরিচালক মো. আজিজুর রহমান, দিনাজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সাইফুজ্জামানসহ আরও অনেকে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, কর্মসূচির মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে শুকনো খাবারের পরিবর্তে শিক্ষার্থীদের জন্য এখন থেকে পুষ্টিকর রান্না করা দুপুরের খাবার (মিড-ডে মিল) সরবরাহ করতে হবে।

দিনাজপুর জেলার ৫টি উপজেলার ৩৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হবে। উপজেলা গুলো হলো—জেলার কাহারোল, ঘোড়াঘাট, বিরল, বিরামপুর ও বোচাগঞ্জ উপজেলা।

এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৫টি উপজেলার ৬৮ হাজার ৭৬১ কোমলমতি শিক্ষার্থী স্কুল ফিডিংয়ের আওতায় আনা হবে।

ওরিয়েন্টেশন কর্মশালায় জেলার ৫টি উপজেলার ৩৬৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন।

ববি হাজ্জাজ,শূন্যের কোটা,প্রাথমিক
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত