ঢাকা সোমবার, ৩১ আগস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

রংপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

রংপুরে নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

নজরুল বর্ষ উপলক্ষ্যে দেশব্যাপী শিক্ষার্থীদের জন্য ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক নজরুলবিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা’ শুরু হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

রংপুর জেলা প্রশাসন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার মো. শহিদুল ইসলাম।

সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে রংপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমি অডিটোরিয়ামে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানভিত্তিক নজরুলবিষয়ক জাতীয় সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে প্রতিযোগিতার উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রংপুর জেলা প্রশাসন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ‘জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম স্বল্প সময়ে যে সৃষ্টি রেখে গেছেন, তা আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রাম, জাতীয় জীবন, মানবিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক বিকাশে আজও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তিনি দীর্ঘ ও সুস্থ জীবন পেলে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতি আরও সমৃদ্ধ হতো।’

তিনি বলেন, কাজী নজরুল ইসলাম মাত্র ২২ বছরের সৃজনশীল জীবনে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের জন্য সাহিত্য ও সংগীতে অবদান রেখেছেন। ব্যক্তিগত জীবনের দুঃখ-কষ্ট ও আর্থিক সংকটের মধ্যেও তাঁর সৃষ্টিশীলতা অব্যাহত ছিল। তাঁর জীবন ও সাহিত্য প্রতিকূলতার মধ্যেও প্রতিভা বিকাশের দৃষ্টান্ত।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. হামিদুল হক বলেন, নতুন প্রজন্মের কাছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের জীবন, সাহিত্য ও আদর্শ পৌঁছে দিতেই ‘নজরুল বর্ষ’ পালন করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের নজরুলচর্চায় সম্পৃক্ত করতে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কবিতা আবৃত্তি, নজরুলসংগীত, গজল, হামদ-নাত, অভিনয় ও চিত্রাঙ্কনসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, মাত্র ২২ বছরের সৃজনশীল জীবনে নজরুল কবিতা, গান, গজল, ইসলামি সংগীত ও শ্যামাসংগীতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি রেখে গেছেন। তাঁর সাহিত্য বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির অমূল্য সম্পদ। নতুন প্রজন্ম তাঁর সাহিত্যকর্মের পাশাপাশি মানবিকতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও সাম্যের চেতনা সম্পর্কে জানতে পারবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

রংপুর জেলা প্রশাসক ইসরাত জাহানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মাহফুজ উন নবী চৌধুরী, রংপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক, জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. সাইফুল ইসলাম, রংপুর বিভাগীয় লেখক পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি কাজী মো. জুননুন, রংপুর সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক মো. মোতাহার হোসেন এবং জেলা কালচারাল অফিসার কে. এম. আরিফউজ্জামান।

অনুষ্ঠানে সরকারি কর্মকর্তা, বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। পরে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা,নজরুল বর্ষ,রংপুর
আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত