অনলাইন সংস্করণ
১৬:২১, ০৪ মার্চ, ২০২৬
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি এবং দুজনকে হত্যার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নির্ধারিত রায় ঘোষণা হচ্ছে না। এ মামলায় নতুন করে সাক্ষ্য ও তথ্য প্রমাণ জমা দেওয়ার আবেদন করেছে প্রসিকিউশন।
বুধবার (৪ মার্চ) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য ছিল। তবে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম অতিরিক্ত সাক্ষ্য ও তথ্যপ্রমাণ উপস্থাপনের জন্য রায় পেছানোর আবেদন করলে সেটি মঞ্জুর করেন আদালত।
এর আগে, গত ১৫ ফেব্রুয়ারি এ মামলায় রায়ের জন্য ৪ মার্চ তারিখ ধার্য করেছিল ট্রাইব্যুনাল-১।
এ মামলার পাঁচ আসামি হলেন—ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান, একই থানার সাবেক এসআই (উপপরিদর্শক) তারিকুল ইসলাম ভুঁইয়া এবং রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার। আসামিদের মধ্যে চঞ্চল সরকার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন।
এই মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া সড়কের পাশে থাকা একটি নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি, শিশু বাসিত খান মুসার (৭) মাথা ভেদ করে তার দাদি মায়া ইসলামের মৃত্যু এবং মো. নাদিম নামের আরও এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বছরের ৭ আগস্ট এ মামলার ফর্মাল চার্জ দাখিল করে প্রসিকিউশন। একই বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর পাঁচ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।