
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলা পৌরসভা হিসেবে চূড়ান্ত অনুমোদন পেয়েছে। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে এলাকায় আনন্দের জোয়ার বইছে। গতকাল রোববার বিকালে পেকুয়া উপজেলার শহীদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠ থেকে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়।
নবগঠিত পৌরসভার সর্বস্তরের মানুষ এবং নাগরিক কমিটির ব্যানারে আয়োজিত আনন্দ মিছিলে অংশ নেন হাজার হাজার মানুষ। পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এম ছফওয়ানুল করিমেন নেতৃত্বে মিছিলটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
পরে মিছিলটি পেকুয়া চৌমুহনী বাজার এলাকায় গিয়ে সংক্ষিপ্ত সভায় মিলিত হয়। সেখানে ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, সুশীল সমাজ ও সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে পুরো এলাকা আনন্দ-উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে।
আনন্দ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত পথসভায় পেকুয়া প্রেসক্লাব সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এর প্রেস সচিব এম. ছফওয়ানুল করিম বলেন, পেকুয়াবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়েছে।
তার মতে, এই পৌরসভা ঘোষণার মাধ্যমে এলাকার আধুনিকায়ন, নাগরিক সুবিধা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।
তিনি আরও বলেন, একটি আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন মডেল পৌরসভা গঠনে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে কাজ করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর সমালোচক একটি পক্ষ বটবাহিনীর অপপ্রচার বন্ধে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
পেকুয়াকে পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করায় তারা আনন্দিত ও গর্বিত। এই অর্জনের পেছনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি বলেন, পৌরসভা বাস্তবায়নের ফলে রাস্তাঘাট, ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন দ্রুত এগিয়ে যাবে। পেকুয়া উপজেলায় পৌরসভায় উন্নীত করার ফলে শহরের আধুনিকায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও নাগরিক সেবার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি পরিকল্পিত নগর ব্যবস্থাপনা, উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা, সড়ক যোগাযোগ ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।