অনলাইন সংস্করণ
১৯:০৪, ০৬ জানুয়ারি, ২০২৬
ব্যক্তি খাতের কারসাজির কারণেই বাসাবাড়িতে রান্নার কাজে ব্যবহৃত সিলিন্ডার গ্যাসের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকের পর, গ্যাসের দাম নিয়ে জ্বালানি সচিব এবং বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন বা বিইআরসি এর চেয়ারম্যানের সঙ্গেও বৈঠক করেন জ্বালানি উপদেষ্টা।
পরে সাংবাদিকদের তিনি জানান, সিলিন্ডার গ্যাস ব্যাবসার ৯৮ শতাংশ ব্যক্তিমালিকানাধিন প্রতিষ্ঠানের হাতে। যেসব বেসরকারি কোম্পানি এলপিজি সিলিন্ডার বাজারজাত করে, তাদের ওপর মন্ত্রণালয়ের খুব বেশি ‘নিয়ন্ত্রণ নেই’ বলেও মন্তব্য করেন উপদেষ্টা।
তিনি বলেন, আমদানি গত মাসের তুলনায় এ মাসে বেশি, সুতরাং এ ধরনের ঘাটতি হওয়ার কথা না।
জ্বালানি উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘কিন্তু এখানে এলপিজি যারা আমদানি করে তারা আশা করছিল যে এলপিজির দাম বাড়বে, বিইআরসি ৫৩ টাকা না কত টাকা বাড়িয়েছে। তো এইটার অনেকে সুযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেছে।’
কারসাজির মাধ্যমেই অস্বাভাবিকভাবে দাম বৃদ্ধি করা হয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, জেলা প্রশাসন এবং পুলিশের মাধ্যমে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে।
‘কারসাজি করছে... হোলসেলার এবং রিটেইলার যারা তারা’, বলেন তিনি।
এলপিজির দাম বৃদ্ধির আলোচনার মধ্যেই সম্প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৫৩ টাকা বাড়িয়ে এক হাজার ৩০৬ টাকা করেছে বিইআরসি। যদিও খুচরা বাজারে সরকার নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ রয়েছে।