অনলাইন সংস্করণ
১১:২৬, ২২ মে, ২০২৬
আর মাত্র এক সপ্তাহ পরই পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদকে সামনে রেখে রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দাম কিছুটা কমেছে। তবে মাছের বাজারে এখনো উচ্চমূল্যই বজায় রয়েছে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রতি ডজন ডিমের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। অন্যদিকে গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৮০০ টাকায়।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার ঘুরে দেখা যায়, বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কয়েক দিন আগেও যার দাম ছিল ১৯৫ টাকার বেশি। একইভাবে কমেছে সোনালি মুরগির দামও। এই মুরগি কিনতে প্রতি কেজিতে খরচ করতে হচ্ছে প্রায় ৩৩০ টাকা।
ডিম বিক্রি হচ্ছে প্রতি ডজন ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে সরবরাহ কিছুটা বাড়ায় দাম কমেছে।
রায়েরবাজারে মুরগি কিনতে আসা রমিজ উদ্দিন বলেন, ঈদের পর যখন কিনেছিলেন তখন প্রতি কেজি ২০০ টাকা ছিল। এখন ১৭৫ টাকায় কিনতে পেরে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছেন।
মুরগি বিক্রেতা আনিসুর রহমান জানান, গত সপ্তাহের তুলনায় বাজারে সরবরাহ বেড়েছে। এ কারণে দাম কিছুটা কমেছে।
অন্যদিকে মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, পাঙাশ মাছ প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩๐ টাকা, রুই ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বেলে ৩৫০ টাকা, বাইন ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, চিংড়ি ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকা, পাবদা ৩৫০ টাকা, কই ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা, শিং ৪০০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, সইল ৭০০ টাকা এবং টাকি ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।
মাছের মধ্যে চিংড়ির দাম তুলনামূলক বেশি। আকার ও জাতভেদে এর দামে পার্থক্য দেখা গেছে। তবে পাঁচ মিশালি মাছ প্রতি কেজি ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ইলিশের বাজারেও রয়েছে উচ্চমূল্য। এক কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকায়। ৬০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা। এছাড়া ছোট জাটকা আকারের ইলিশ প্রতি কেজি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, ইলিশের দাম মূলত আকারের ওপর নির্ভর করছে।
এক মাছ ব্যবসায়ী বলেন, বাজারে মাছের সরবরাহ ওঠানামা করায় দামও পরিবর্তন হয়। যেদিন মাছ বেশি আসে, সেদিন দাম কিছুটা কম থাকে। আজ পাঙাশ বেশি আসায় কম দামে বিক্রি করা হয়েছে।