অনলাইন সংস্করণ
২১:৫১, ০৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
জামায়াতে ইসলামী তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে ২৬টি অগ্রাধিকার এবং ১০টি প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। এই ইশতেহারের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ’ গড়ে তোলা। প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে পাঁচটি ‘হ্যাঁ’ এবং পাঁচটি ‘না’ রাখা হয়েছে।
‘হ্যাঁ’-এর মধ্যে রয়েছে সততা, ঐক্য, ইনসাফ, দক্ষতা এবং কর্মসংস্থান। ‘না’-এর মধ্যে আছে দুর্নীতি, ফ্যাসিবাদ, আধিপত্যবাদ, বেকারত্ব এবং চাঁদাবাজি।
অগ্রাধিকারভিত্তিক ২৬টি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে নারীর জন্য নিরাপদ কর্মস্থল, মন্ত্রিসভায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক নারী সদস্য অন্তর্ভুক্তি এবং যুবকের কর্মসংস্থানের প্রসার।
এই ইশতেহার কেবল দলীয় কর্মসূচি নয়, বরং জাতির প্রতি জামায়াতের পরিকল্পনার একটি ‘জীবন্ত দলিল’ হিসেবে পরিচিত।
ঢাকার একটি হোটেলে বুধবার সন্ধ্যায় আয়োজিত ইশতেহার প্রকাশ অনুষ্ঠানে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “রাজনীতিতে আমরা বলি, ব্যক্তির চেয়ে দল বড়, দলের চেয়ে দেশ বড়। কিন্তু ৫৪ বছরের ইতিহাসে আমরা কি সেই স্লোগানের স্বাক্ষর দিতে পেরেছি?”
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ৪৭ না হলে ৭১ হতো না, ৭১ না হলে ২৪ পেতাম না; সমস্ত ইতিহাস ও ঘটনার মধ্যে একটি সম্পর্ক রয়েছে।
ইশতেহারের প্রণয়নে দেশ-বিদেশের ২৫০-এর বেশি বিশেষজ্ঞ এবং জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে পরিকল্পনা তৈরি করা হয়েছে। প্রকাশ অনুষ্ঠানে জামায়াত জোটের নেতারা এবং বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনী ইশতেহারের নামকরণ করা হয়েছে ‘নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশের ইশতেহার’, যেখানে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, ইনসাফ ও ন্যায় ভিত্তিক বৈষম্যহীন সমাজ গঠন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং যুবকের কর্মসংস্থানের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।