ঢাকা বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ | বেটা ভার্সন

রূপশৈলী

ঠোঁটের যত্নে কিছু কথা

বছরের কোনো না কোনো সময় ঠোঁটের শুষ্কতায় ভোগেননি এমন মানুষ খুব কমই আছেন। শুষ্ক ঠোঁটে কালচে ভাব বা হাইপারপিগমেন্টেশন ও ইনফেকশন হওয়ার অশঙ্কা অনেক বেশি। অবশ্য ত্বকের যত্নের মতো এখন মোটামুটি সবাই ঠোঁটের যত্নের ব্যাপারে বেশ সচেতন। লিখেছেন— সোমা ঘোষ মণিকা
ঠোঁটের যত্নে কিছু কথা

পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান : ডার্মাটোলজিস্ট বা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞরা ঠোঁটের ত্বকের সুস্থতায় সবার আগে পানি পানের বিষয়কে গুরুত্ব দিয়েছেন। পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করলে শরীর ও ঠোঁট আর্দ্র থাকে।

এক্সফোলিয়েট করা : ঠোঁটের মৃত কোষ দূর করতে ও মসৃণ রাখতে নিয়মিত এক্সফোলিয়েট করতে হবে। ঠোঁট ম্যাসাজ করতে ও ফ্ল্যাকিনেস দূর করতে ঘরে তৈরি স্ক্রাব ব্যবহার করাই ভালো।

ময়েশ্চারাইজার : অনেক কারণে ঠোঁট শুষ্ক হতে পারে। এ অবস্থায় অবশ্যই ঠোঁটে ময়েশ্চারাইজার লাগাতে হবে। বেছে নিতে হবে পুষ্টিসমৃদ্ধ লিপ বাম। শুষ্ক ঠোঁটের জন্য সবচেয়ে ভালো শিয়া বাটার, নারকেল তেল, কোকো বাটার, হায়ালুরনিক অ্যাসিড আছে এমন লিপ বাম।

সূর্য থেকে সুরক্ষা : বাইরে বের হওয়ার আগে এসপিএফযুক্ত লিপ বাম ব্যবহার করতে হবে। এটি ঠোঁটকে রোদে পোড়া, কালচে ভাব বা হাইপারপিগমেন্টেশন থেকে সুরক্ষা দেবে।

জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজানো যাবে না : জিব দিয়ে ঠোঁট ভেজালে তা অল্প সময়ের জন্য ময়েশ্চারাইজ করতে পারে, কিন্তু দীর্ঘ সময়ের জন্য শুষ্ক করে তোলে। মুখের লালা খুব দ্রুত বাষ্পীভূত হয়, যা ঠোঁটকে আগের থেকে আরও বেশি শুষ্ক করে। তাই ঠোঁট কোনোভাবে জিব দিয়ে ভেজানো যাবে না। এটি এড়াতে হাতের কাছে সব সময় লিপ বাম বা ভ্যাসলিন রাখুন।

বুঝেশুনে ঠোঁটের পণ্য : কিছু লিপস্টিক বা লিপ স্টেইন ঠোঁট শুষ্ক করে তোলার পেছনে ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে ম্যাট ফর্মুলায় তৈরি লিপস্টিকগুলো। এখন অনেক লিপস্টিক উৎপাদনে হাইড্রেটিং উপাদান যেমন হায়ালুরনিক অ্যাসিড, পেপটাইড, সেরামাইড, কোকো বাটার, শিয়া বাটার ও নারকেল তেল ব্যবহার করা হচ্ছে।

মেকআপ রিমুভার : ঠোটের মেকআপ পরিষ্কারের ব্যাপারে যথাসম্ভব কোমল হতে হবে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো প্রাকৃতিক তেল ও তুলার প্যাড ব্যবহার করা।

মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য : ঠোঁটের সৌন্দর্যে মুখগহ্বরের স্বাস্থ্যের ভূমিকা আছে। দিনে দুবার দাঁত মাজতে হবে। নিয়মিত ডেন্টাল ফ্লস ও মাউথওয়াশ ব্যবহার করতে হবে।

ডায়েট : পরিশেষে একটি ভালো ডায়েট মেনে চলতে হবে। প্রচুর পরিমাণে শাকসবজি, মাছ, মাংস, ডিম ও দুধ খেতে হবে। নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। আট ঘণ্টা ঘুমাতে হবে।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত