প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ১৮ জুলাই, ২০২৬
আষাঢ়ের বিষাদ ঝরে অদৃশ্য তারের কম্পনে
সীমানার ওপারে কাচণ্ডঘেরা দূরত্ব ভিজে ওঠে
স্মৃতির বারদী কথা বলে বাষ্পীয় সংকেতে...
ঘাটে স্থবির হয়ে আছে জ্যামিতিক নিঃসঙ্গতা।
এই পতন কী কেবল অস্থির জলবিন্দু
নাকি স্থানচ্যুত নক্ষত্রের চূর্ণবিচূর্ণ অহংকার?
মেঘনার অবচেতনে ভাসছে অন্ধকারের ডানা
অলকাপুরীর দিকে ধাবমান এক টুকরো মেঘ
প্রাচীন যক্ষের আঙুল আকাশের ক্যানভাসে...
বজ্রের শঙ্খধ্বনি আসলে কোনো সুদূরের কান্না
কদমের ঘ্রাণে জেগে ওঠে মানচিত্রহীন অতীত।
রাত্রির গর্ভে যখন দিকচিহ্নরা আত্মাহুতি দেয়
সমস্ত স্থবিরতা রূপ নেয় অন্তহীন স্রোতস্বিনীতে
আর সেই নাম কোনো এক অনির্দিষ্ট শূন্যতায়-
ডুবে থাকা মৃদু কম্পমান এক আলোর বিন্দু।