প্রিন্ট সংস্করণ
০০:০০, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
ধরো, তোমার সকল পাতা ঝরে গেছে;
আমি তার কয়েকটি হলদে, শুকনো, বিবর্ণ বাস্তবতা
তুলে নিলাম হাতে।
ধরো তাতে প্রাণ নেই, প্রেম নেই-
আমার স্পর্শে না হোক,
বাতাসের মৃদ্যু চুম্বনে অন্তত শিউরে উঠুক কয়েকটি বার।
ধরা যাক, অগ্রজ রোদের শরীর থেকে
শুষে নিয়েছো সমস্ত ক্লোরো-ফিল,
ফিলিংস আর সেনসেশন;
কি যায় আসে তাতে। নতুন বেলকনির
বাহারি টবেও বেঁচে থাকে পাথরকুচি।
আলিঙ্গণগুলো তোলা থাকুক বুক পকেটে,
পুরাতন পোশাক আর সবুজ নাকফুল
বেচে দিয়ো বিক্রয় ডটকমের পুরোনো বাজারে;
শাদা ফুল হারা, লাল পালক হারা
তোমার জীবন্ত জন্মান্তরে লেখা হোক আরেক বৃক্ষপূরাণ।
ভাতের নাম আমি ভগবান রাখলাম প্রিয়
ফুলের রূপ ধরে চেয়ে থাকে একথালা বিষণ্ণ ভাত,
এই হাত, কি আমার নিজের,
যে কি না তুলে নেবে লাবণ্য কি বা লবন,
নাকি ভগবানের?
ভগবানের কি হাত থাকে কোনো, আমাদের সুখে, কান্নায়, অসুখে?
রুটি-রুজি-ভাতের জন্য আমি তো তারে
রাজার মতো কুর্নিশ করিনি কখনও!
যে শস্য বেঁধে রাখে তোমায়-আমায়, আত্মীয় নামে
ওই ভাতের নাম আমি ভগবান রাখলাম প্রিয়,
মমতার মোম জ্বেলে, নামাজের গাম্ভীর্যে
তুমি তারে পাতে তুলে নিও।