
কক্সবাজারের উপজেলা উপজেলা আমের জন্য বিখ্যাত না হলেও এখানে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবার বাণিজ্যিকভাবে আম চাষ করে আসছে। বর্তমানে আমগাছে শোভা পাচ্ছে শুধুই মুকুল। চারদিকে ছড়াচ্ছে সেই মুকুলের সুবাসিত ঘ্রাণ। বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ধরেছে। গাছের পুরো মুকুল এসেছে বলে জানান আমবাগান মালিক ছৈয়দুল আমিন। উপকূলীয় ইউনিয়ন টেকনাফের বাহারছড়া এলাকার প্রায় গ্রামের ৩-৪ একর পাহাড়ি জমিতে পাঁচ বছর আগে কয়েক শতাধিক আমগাছ লাগানোর কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তার বাগানের গাছে যেভাবে মুকুল পড়েছে তাতে আম ধরলে গাছ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য দিনরাত বাগানে পরিশ্রম করছেন যেন পরিবেশগত কারণে আমের মুকুল ঝরে না যায়।
সাবরাং ইউনিয়নের সিকদার পাড়া এলাকার বাগান মালিক শওকত আলী ও ফজল করিম জানান, সপ্তাহখানেক আগে থেকে তাদের বাগানের আমগাছে মুকুল আসা শুরু করেছে। বর্তমানে পুরো বাগান মুকুলে ছেয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এবার আমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। সরেজমিনে টেকনাফ সদর ইউনিয়ন, সাবরাং, বাহারছড়া, হ্নীলা ও হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কয়েকটি আমবাগান ঘুরে দেখা যায়, বাগানগুলোর অধিকাংশ গাছে মুকুল এসেছে। যেসব গাছে এখনো আসেনি, সেগুলোর বাড়তি যত্ন নিচ্ছেন চাষিরা। তবে আশঙ্কার কথা জানিয়ে চাষিরা বলছেন, আগাম মুকুল আসলে কুয়াশার কবলে পড়ার শঙ্কা বেশি থাকে। ঘন কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে মুকুলে ‘পাউডারি মিলডিউ’ নামে এক ধরনের রোগ দেখা দেয়।