ঢাকা সোমবার, ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ | বেটা ভার্সন

ঘন কুয়াশায় বোরো বীজতলা ক্ষতিগ্রস্তের আশঙ্কা

ঘন কুয়াশায় বোরো বীজতলা ক্ষতিগ্রস্তের আশঙ্কা

প্রচণ্ড শীত ও ঘন কুয়াশায় কিশোরগঞ্জের তাড়াইলে বোরো ধানের বীজতলা লালচে ও ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। গত কয়েকদিন বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন কৃষকরা। কুয়াশায় বোরো ধানের আবাদ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। বীজতলা নষ্ট হওয়ায় লোকসানের মধ্যে পড়েছেন চাষিরা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরে বোরোর বীজতলার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৫০০ হেক্টর। আবাদ হয়েছে ৫৪৯ হেক্টর জমিতে।

কিন্তু কুয়াশা ও শীতের তীব্রতায় এসব বীজতলার অধিকাংশই লালচে ও ফ্যাকাশে হয়ে গেছে।

সরেজমিনে গতকাল শনিবার দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে শীত ও কুয়াশায় বোরো ধানের বীজতলা লালচে ও ফ্যাকাশে হয়ে যাচ্ছে। কৃষকরা জানান, বীজতলা রক্ষায় বিভিন্ন প্রকার ছত্রাকনাশক ছিটিয়েও ফল পাচ্ছেন না। এমনকি প্রতিদিন কুয়াশার পানি আলাদা করেও রক্ষা হচ্ছে না বীজতলা। দামিহা ইউনিয়নের হাছলা গ্রামের কৃষক খলিলুর রহমান অলি ৩৫ শতাংশ জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত কুয়াশা ও শীতের কারণে বেশিরভাগ বীজতলা লালচে ও ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। এখন আর সময় নেই পুনরায় বীজতলা করে আবাদ করার। উপজেলার তাড়াইল-সাচাইল সদর ইউনিয়নের সহিলাটী গ্রামের কৃষক সাহাব উদ্দীন বলেন, গত কয়েক বছরের মধ্যে এবার বেশি কুয়াশা পড়ছে। শীতের তীব্রতাও অনেক বেশি। ২০ শতাংশ জমিতে বোরো ধানের বীজতলা তৈরি করেছি। বেশিরভাগ বীজতলা লালচে ও ফ্যাকাশে হয়ে গেছে। এখন কী করব বুঝতেছি না।

তাড়াইল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ রায় আলোকিত বাংলাদেশকে বলেন, বোরো বীজতলা শীত ও কুয়াশায় ক্ষতির সম্মুখীন হলে সেচ দিয়ে সারাদিন ভিজিয়ে রেখে সন্ধ্যায় পানি ছেড়ে দিতে হবে। এতে বীজতলা ক্ষতির মুখে পড়বে না। তিনি আরও বলেন, কুয়াশা কমে গেলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে যাবে। এছাড়া শুকনো স্থানে বীজতলা করার জন্য কৃষকদের পরামর্শ দিয়েছি।

আরও পড়ুন -
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত